,

পদ্মা সেতুর পাশে মাটি সরানো ছিল ঠিকাদারের দায়িত্ব

news-image

অনলাইন ডেস্ক : পদ্মা সেতুর পিলারের আশপাশে থাকা মাটি অপসারণের কাজ নতুন কোনো উদ্যোগ নয়; এটি মূল নির্মাণকাজের অংশ হিসেবেই অনেক আগে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত এক সংলাপে তিনি বলেন, সেতু নির্মাণের সময় নদীর মধ্যে কাজ পরিচালনার সুবিধার্থে কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে মাটি ভরাট ও সহায়ক অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এসব অপসারণের দায়িত্ব ঠিকাদারের থাকলেও তা নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হয়নি।

মন্ত্রী জানান, ভারী যন্ত্রপাতি ও যানবাহন চলাচলের সুবিধার জন্য যে কৃত্রিম ভরাট করা হয়েছিল, দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকায় তা এখন স্বাভাবিক মাটির মতো শক্ত হয়ে গেছে। ফলে বর্তমানে মাটি কাটার দৃশ্য দেখে অনেকের মনে ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে যে সেতুর পিলারের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

তিনি বলেন, প্রকৌশলীদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, অপসারণ করা হচ্ছে এমন মাটির সঙ্গে সেতুর মূল কাঠামোর নিরাপত্তার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি সরিয়ে ফেললে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরবে, নৌযান চলাচল সহজ হবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, মাটি অপসারণকে ঘিরে আর্থিক সুবিধা নেওয়া বা মাটি বিক্রির অভিযোগের কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি। এটি কাউকে লাভবান করার প্রকল্প নয়, বরং নির্মাণকাজের অসমাপ্ত একটি অংশ মাত্র।

সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বড় অবকাঠামো প্রকল্প নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে প্রযুক্তিগত ও প্রকৌশলগত বিষয়গুলো গভীরভাবে যাচাই করা জরুরি। কারণ অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের চোখে যা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়, প্রকৌশলগত বিশ্লেষণে বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে।

প্রয়োজনে সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে বলেন, প্রকল্পের বাইরে কোনো অনিয়মের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি আরও ৩০ কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে বাস কাউন্টার ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, রাস্তার পাশে গড়ে ওঠা বাস কাউন্টারগুলো যানজটের অন্যতম কারণ। তবে বিকল্প সুবিধা নিশ্চিত না করে এগুলো সরানো হবে না। ধাপে ধাপে নতুন টার্মিনাল ও ডিপো গড়ে তুলে রাজধানীর কেন্দ্র থেকে বড় বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে রুটভিত্তিক কোম্পানি পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট রুটে একই মানের বাস পরিচালনা এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের আশা করছে সরকার।

এ জাতীয় আরও খবর

রাজনৈতিক সমাধানেই কাটবে রোহিঙ্গা সংকট: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অবসরের পর বিচারপতিদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন অযৌক্তিক : হাইকোর্ট

ইচ্ছা থাকলেও পর্দা করা সম্ভব নয় : মেঘনা আলম

পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চের আলোয় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৫০

হুতিদের থামাতে ইরানকে পাকিস্তানের কড়া বার্তা

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর, তফসিল ঘোষণা

ডেঙ্গু চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক-সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৯ সাল পর্যন্ত গড়াতে পারে ইরান যুদ্ধ, ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন উপদেষ্টারা

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাস, ৪১টির রেজিস্ট্রেশন স্থগিত

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরান যুদ্ধ শেষ হবে

আইফোন ১৮ প্রোতে ক্যামেরায় বড় আপগ্রেড, বাড়ল দাম