রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, দীর্ঘমেয়াদি সমাধান চায় ইরান

news-image

অনলাইন ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটতে আগ্রহী নয়; বরং পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তুরস্কে এক আলাপচারিতায় দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ বলেন, সাময়িক সমঝোতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না। তার মতে, সংঘাতের মূল কারণগুলো দূর না করলে বারবার একই পরিস্থিতি তৈরি হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, লেবানন থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত সব উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলকে যেকোনো সমঝোতার আওতায় আনতে হবে—এটিকে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে তুলে ধরেন।

এদিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান বলছে, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। তবে এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভূমিকার সমালোচনা করেছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক ভাষণে দাবি করেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই কিছু এলাকায় সংঘাত কমানো সম্ভব হয়েছে। তিনি পুনরায় জানান, ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জনের পথে নেই এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়। একই সঙ্গে তিনি বাইরের শক্তিগুলোর ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে কিছুটা দ্বৈততা দেখা যাচ্ছে। একদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, অন্যদিকে ওয়াশিংটন এখনো ইরানের ওপর চাপ বজায় রেখেছে। চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে সামরিক বিকল্পও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। ফলে কূটনীতি ও সামরিক চাপ—দুই দিক থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।

মাঠপর্যায়েও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। লেবাননসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের প্রভাব এখনো রয়ে গেছে এবং বাস্তুচ্যুত মানুষেরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। যদিও সীমিত সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এর স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এ জাতীয় আরও খবর

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা

সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

বদির পরিকল্পনাতেই একরাম হত্যা: চিফ প্রসিকিউটর

রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করল সরকার

কারাগারের নাম-আইনে বড় পরিবর্তন, বাড়ছে জনবল

কারাগারের নাম-আইনে বড় পরিবর্তন, বাড়ছে জনবল

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি