,

সংসদ সদস্যদের শপথ কাল

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক :ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শনিবার বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করা হবে। এর পরই শুরু হবে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা।

সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ান। তবে জুলাই অভ্যুত্থানপরবর্তী পরিস্থিতিতে বর্তমানে সংসদ কার্যত নেই; স্পিকারও দায়িত্বে নেই এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে রয়েছেন। ফলে প্রশ্ন উঠেছে- এবার শপথ পড়াবেন কে?

এ বিষয়ে সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে­-‘নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত ব্যক্তি শপথ পাঠ করাবেন। যদি তিনি কোনো কারণে তা করতে ব্যর্থ হন, তা হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন, যেন তিনিই এ উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ব্যক্তি।’

অর্থাৎ, সংবিধান দুটি পথ রেখেছে- প্রথমত, রাষ্ট্রপতি কাউকে শপথ পড়ানোর জন্য মনোনীত করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, তিন দিনের মধ্যে মনোনীত ব্যক্তি শপথ না পড়ালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।

এ প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, সামনে দুটি বিকল্প রয়েছে। রাষ্ট্রপতি চাইলে কাউকে মনোনীত করতে পারেনÑ উদাহরণ হিসেবে প্রধান বিচারপতির নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। আর সেটি না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পড়াবেন। তবে সে ক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে, যা সরকার চাইছে না।

সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল রবিবার প্রধান বিচারপতি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে পারেন। এদিকে সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। সংসদের শপথ কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। নবনির্বাচিত সদস্যদের স্বাক্ষর গ্রহণ ও পরিচয়পত্র দেওয়ার জন্য ছবি তোলার বুথ স্থাপন করা হচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের সময় সংসদ ভবনের ভেতরে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষ, দপ্তর ও অধিবেশন কক্ষ মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। বাকি দুটি আসনের বিষয়ে আইনগত বা কারিগরি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে কিনাÑ সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।

ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তাদের জোট পেয়েছে ২১২টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন।

একক দল হিসেবে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, খেলাফত মজলিস ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং গণঅধিকার পরিষদ ১টি আসন পেয়েছে।

এই ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিএনপি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরছে দলটি।

 

এ জাতীয় আরও খবর

আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার জরুরি: রাষ্ট্রপতি

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ২১ সেপ্টেম্বর

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ৭ এমপির মধ্যাহ্নভোজ

বিদেশে সম্পদ মিললে ১০ শতাংশ চাইলেন আসিফ

পাথরবোঝাই বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

রামপালে এক ইউনিট বন্ধ, কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন

গার্মেন্টসে শতভাগ দেশি জনবল সম্ভব: মাহ্দী আমিন

মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশিসহ ৪৭২ জন আটক

গুলশানের মিছিলে গ্রেপ্তার ৯ জন কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৬১