বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়েতে ১০০টি বিড়াল উপহার!

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিয়েতে একেবারেই ব্যতিক্রমধর্মী উপহার পেলেন ভিয়েতনামে এক কনে। তাও গুনে গুনে ১০০টি সিভেট বিড়াল। এই বিড়ালগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৭০,০০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা।

এই প্রাণীগুলোর বিশেষ কদর রয়েছে ‘কপি লুওয়াক’ নামের বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফি উৎপাদনে তাদের ব্যবহারের জন্য।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ভিয়েতনামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা এই ২২ বছর বয়সি কনে গত মে মাসে হওয়া তার বিয়েতে এ বিশাল উপহার পেয়েছেন। উপহারগুলোর মধ্যে শুধু সিভেট বিড়ালই ছিল না—এর সঙ্গে ছিল ২৫টি সোনার বার, ২০,০০০ ডলার নগদ অর্থ, ৩০ কোটি ভিয়েতনামী ডং মূল্যের কোম্পানির শেয়ার এবং একাধিক দামি সম্পত্তি।

বরপক্ষও পাল্টা উপহার হিসেবে কনেপক্ষকে দিয়েছে ১০ তোলা সোনা, ২ কোটি ডং নগদ অর্থ এবং হীরার গয়না।

এশিয়ার অনেক সংস্কৃতিতেই বিয়েতে দেনমোহর ও উপহার দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রীতি। যা পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য ও মেয়ের নতুন জীবনের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতিকে প্রকাশ করে।

কনের বাবা হং চি তাম জানিয়েছেন, তার সব সন্তানই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেছে এবং তারা পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে পড়েছে। সে এ সম্পদগুলো পরিচালনা করার সম্পূর্ণ যোগ্য। সে চাইলে এই সিভেট বিড়ালগুলো পালন করতে পারে। অথবা বিক্রি করতেও পারে। যেভাবেই হোক, এতে তার আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে’।

সিভেট বিড়াল কেন এত দামি?

ভিয়েতনামে সিভেট বিড়াল অত্যন্ত মূল্যবান। একটি সন্তান দেওয়া স্ত্রী সিভেটের দাম প্রায় ৭০০ ডলার পর্যন্ত হয়। আর গর্ভবতী হলে তা ১,০৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এ প্রাণীগুলো মূলত ‘কপি লুওয়াক’ নামের কফি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এই কফি উৎপাদনের বিশেষ পদ্ধতিতে সিভেটরা পাকা কফি চেরি খায়। তারপর তাদের মল থেকে সেই কফির বীজ সংগ্রহ করে ধুয়ে, প্রক্রিয়াজাত করে ও ভেজে কফি তৈরি করা হয়।

তাছাড়া সিভেট বিড়ালের মাংস চীন ও ভিয়েতনামে বিলাসবহুল খাবার হিসেবে গণ্য হয়। এমনকি তা ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যা তাদের মূল্য আরও বাড়িয়ে দেয়।

তবে ওয়ার্ল্ড অ্যানিম্যাল প্রোটেকশন ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, সিভেট বিড়াল ব্যবসায় বহু নিষ্ঠুর পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বন্য সিভেটদের ফাঁদ বা বাক্সে আটকে ধরা হয়, পরে তাদের খাঁচায় বন্দি করে ফার্মে পাঠানো হয়। সেখানে তারা অমানবিক পরিবেশ, অপ্রতুল খাদ্য এবং চরম মানসিক চাপে থাকে।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা