,

ফলোঅনের শঙ্কা নিয়ে চা বিরতিতে আফগানিস্তান

news-image

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সবুজ ঘাসের উইকেটে সকালে সুবিধাটা নিয়েছেন আফগান বোলাররা। টাইগার পেসাররাও ছেড়ে কথা বলছেন না। বাদ যাচ্ছেন না স্পিনাররাও। বাংলাদেশি বোলারদের পেস তোপ আর স্পিন ঘূর্ণিতে নাকাল আফগানিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। শরিফুল ইসলামের বলে শুরু হয় উইকেট পতন। এবাদত হোসেনের শিকার ৫ ব্যাটার। দিশেহারা সফরকারিদের প্রথম ইনিংসেই তাই জেগেছে ফলো-অনের শঙ্কা। তা মাথায় নিয়েই চা বিরতিতে গেছে তারা।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ৩৮২ রানে। ব্যাট করতে নেমে ৩৩ ওভার শেষে ১৪০ রান তুলতেই নেই আফগানদের ৮ উইকেট। ফলোঅন এড়াতে হলে তাদেরকে করতে হবে ১৮৩ রান। কিন্তু মিরপুরের এমন উইকেটে এই পরিস্থিতি থেকে সেটা কাটিয়ে ওঠা খানিকটা কঠিন।

শুরু থেকেই এবাদত-শরিফুলদের বল মোকাবেলা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল আফগানরা। মাঝে জুটি গড়েছিলেন আফসার জাজাই ও নাসির জামাল। তবে সেই জুটি ভেঙে দেন মেহেদি মিরাজ ও এবাদত হোসেন।

তার চার ওভার পর ফের আঘাত হানেন এবাদত। এবাদত হোসেন যথারীতি শর্ট বল করেছিলেন, সেটি ডিফেন্ড করতে গিয়ে ক্যাচ তোলেন আমির হামজা। শর্ট লেগে থাকা বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে দারুণ এক ক্যাচ তুলে নেন মুমিনুল। এবাদত পেয়ে যান চতুর্থ উইকেট।

পরের ওভারে ইয়ামিন আহমেদজাইকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। তার স্পিন টার্নের সঙ্গে বাউন্স, সেটা বুঝে উঠতে পারেননি এই আফগান। তাতে তাইজুল পেয়ে যান প্রথম উইকেটের দেখা।

এই উইকেট হারানোর পর বিরতিতে গেছে দুই দল। চা বিরতির আগে ৩৬ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান সংগ্রহ করেছে তারা। ২১ রানে করিম জানাত ও ০ রানে নিজাত মাসুদ।

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট