,

শীতে ইউক্রেনের দুরবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তা

news-image

অনলাইন ডেস্ক : রাশিয়ার হামলায় জ্বালানি অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি সামলাতে ইউক্রেনের সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। রাশিয়াকে সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র ঘোষণার দাবির পুনরাবৃত্তি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের রাশ ইউক্রেন বা রাশিয়ার হাতে কতটা রয়েছে, সেই বিষয়ে তর্কবিতর্ক থাকলেও ঋতু হিসেবে শীতকালের ক্ষমতা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। যুদ্ধক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য অংশে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে নামতে শুরু করেছে। রাজধানী কিয়েভে তুষারপাত শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি ও কাদার কারণে সৈন্য ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহণও বড় সমস্যা হয়ে উঠছে। রাশিয়ার লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ফলে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ, পানি ও ঘর গরম রাখার উত্তাপ সরবরাহের অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফলে দেশের ২৭টি অঞ্চলের মধ্যে ১৫টিতে চার ঘণ্টা বা আরও বেশি সময়ের জন্য ব্ল্যাকআউটের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই সময় আরও বাড়ানো হতে পারে বলে বিদ্যুৎ সংস্থা জানিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইউক্রেনের চলতিশীতকালকে ‘প্রাণঘাতী’ হিসেবে সতর্ক করে দিয়েছে। সংস্থার ইউরোপের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. হান্স হেনরি পি ক্লুগে বলেন, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি অবকাঠামোর উপর হামলার অর্থ হলো অসংখ্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র আর পুরোপুরি চালু থাকতে পারছে না। সেখানে জ্বালানি, পানি ও বিদ্যুতের অভাব প্রকট হয়ে উঠছে। মরিয়া হয়ে শরীর গরম রাখার বিকল্প প্রচেষ্টার কারণে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের আশঙ্কাও বেড়ে যাবে বলে তিনি সতর্ক করে দেন।

এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার হাত থেকে সদ্য পুনরুদ্ধার করা খেরসন ও মিকোলাইভের মতো অঞ্চলের বাসিন্দাদের উদ্ধার করে দেশের অন্য জায়গায় নিয়ে যাবার কাজ শুরু করেছে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ।

উপপ্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক বলেন, সরকার সেখানকার মানুষের জন্য পরিবহণ, বাসস্থান ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে। বিশেষ করে নারী ও শিশু এবং অসুস্থ ও বয়স্ক মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইউক্রেনে জ্বালানি সংরক্ষণের খাতিরে তিনি গত মাসে বিদেশে বাসরত ইউক্রেনীয়দের উদ্দেশে শীতকালে দেশে না ফেরার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিয়েভসহ অন্যান্য জায়গার যে সব মানুষের কয়েক মাসের জন্য দেশের বাইরে থাকার সামর্থ্য রয়েছে, তাদের উদ্দেশ্যেও সেই আবেদন জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা।

শীত আরো জাঁকিয়ে বসার আগে রাশিয়ার সেনাবাহিনী অবশিষ্ট অধিকৃত এলাকার উপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের বাহিনীর হামলার আশঙ্কায় দ্নিপার নদীর পূর্ব প্রান্তে সামরিক অবস্থান আরো মজবুত করছে মস্কো। রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকার মানুষকেও অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা চলছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে ‘চিরকুট’

সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাই আর নেই

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন অনুকরণীয় ব্যক্তির সাক্ষাৎ

আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

উত্তরায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, কারণ শর্ট সার্কিটের সন্দেহ

হরমুজ প্রণালিতে হামলায় ডুবল সিঙ্গাপুরের জাহাজ

ইউক্রেনে স্টারলিংক সীমিত, ড্রোন প্রতিরোধে সংকট

মেসির অ্যাসিস্টে জয়, প্লে-অফে ইন্টার মায়ামি

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

কৃষিকে লাভজনক করতে আধুনিকায়নের তাগিদ রাষ্ট্রপতির