,

বরিশালে যান চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের একদিন আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দূরপাল্লা, অভ্যন্তরীণ ও তিন চাকার সব ধরনের যানবাহন। এতে যানবাহন সংকটে দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট চলবে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

ধর্মঘটের কারণে বরিশাল থেকে কোনো রুটে বাস ছাড়ছে না। বাস ছাড়াও ভোলা থেকে বরিশাল রুটে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচলও বন্ধ থাকায় সারা দেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বরিশালের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

শুক্রবার সকাল ছয়টার পর বরিশাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বাস না পেয়ে অনেকে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। পরিবহন বন্ধ থাকায় মালামাল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। বিকল্প উপায়ে কেউ ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে গেলেও তাতে গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

সকালে বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড গিয়ে দেখা যায়, বাসের টিকিট কাউন্টারগুলো বন্ধ। স্ট্যান্ডে সব বাস সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। মহাসড়কে চলছে ভ্যান, কিছু সংখ্যক অটোরিকশা, রিকশা। আর এতে ভরসা করেই গন্তব্যে যাচ্ছে মানুষ।

দেওয়ান মোহন নামের এক যাত্রী বলেন, রাজনৈতিক কারণে বাস বন্ধ রাখা কোনও যুক্তিতে পরে না। আমাদের ভোগান্তিতে ফেলে তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

মানিক হোসেন বলেন, আমি মাদারীপুরে যাওয়ার জন্য এসেছিলাম। জানতাম বাস বন্ধ থাকবে তার পরও বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে চেয়েছিলাম। কিস্তু তিন চাকার সব যান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এখন কিভাবে যাবো বুঝতে পারছি না।

এদিকে বাস লঞ্চ বন্ধ থাকলেও গণসমাবেশে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ২টায় বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জেলা বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে। সমাবেশের আগের দিন বাস বন্ধ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। পরিবহন বন্ধের জন্য সরকারকে দায়ী করে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, গণসমাবেশে যেন মানুষ আসতে না পারে সেজন্য সরকার এমন কাজ করেছে। তবে সরকার সংশ্লিষ্টদের দাবি, এতে সরকারের কোনো হাত নেই।

এদিকে বিএনপির গণসমাবেশ ঘিরে বৃহস্পতিবার থেকেই দলটির অনেক নেতাকর্মী বরিশালে এসেছেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের ভিড়ও বাড়তে থাকে সমাবেশস্থলে। গতরাতে প্যান্ডেল টানিয়ে সমাবেশস্থলে আড্ডা, হই-হুল্লোড় করেন তারা।

নেতাকর্মীরা বলছেন, সমাবেশ যেন সফল না হয় সেজন্য শুক্রবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে আগেভাগেই তারা সমাবেশস্থলে চলে এসেছেন। সমাবেশের আগের দুই রাত এখানেই কাটাবেন।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ বলেন, রাতে উদ্যানেই ঘুমান দূর থেকে আসা নেতাকর্মীরা। কারণ আবাসিক হোটেলগুলোতে পুলিশ অভিযানের নামে তাদের হয়রানি করতে পারে।

তি‌নি বলেন, সব ধর‌নের প‌রিবহন বন্ধ করে দিয়েছে সরকার আমাদের সমাবেশ ঠেকাতে। ত‌বে তাদের কোনো উদ্যোগই সফল হবে না। জনগণের জন্য আন্দোলনে সব বাধা অতিক্রম করে দুই দিন আগেই সমাবেশস্থলে হা‌জির হচ্ছেন নেতাকর্মীরা। এখানেই থাকার ব্যবস্থা করা হ‌য়ে‌ছে ত্রিপল টা‌নিয়ে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না