,

করোনায় থেমে গেছে চক্রাকার বাস সার্ভিস

news-image

নিউজ ডেস্ক : সাধারণ যাত্রী এবং শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে রাজধানীর আজিমপুর-নিউমার্কেট-ধানমন্ডি এবং বিমানবন্দর-প্রগতি সরণি রুটে অত্যাধুনিক চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করা হয়। ঘটা করে সার্ভিসটি চালু করা হলেও করোনার শুরুতে থমকে যায় এর সকল কার্যক্রম। করোনা পরবর্তী ‘নিউ নর্মাল’ পরিস্থিতেও চালু হয়নি এটি।

২০১৯ সালের ২৭ মার্চ রাজধানীর আজিমপুর-নিউমার্কেট-ধানমন্ডি এবং ২৭ মে বিমানবন্দর থেকে প্রগতি সরণি রুটে চক্রাকার বাস সেবার উদ্বোধন করা হয়।

রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রস্তাব অনুযায়ী সার্ভিসটি চালু হয়। পুলিশের সেই প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, আজিমপুরের মতো ‘পুরোনো ও অভিজাত’ এলাকায় উন্নত গণপরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় মূল সড়কে রিকশা চলাচল করে।

তাছাড়া ব্যক্তিগত যানবাহন সড়ক দখল করে রাখায় যানজট সৃষ্টি হয়। এসব এলাকায় রিকশা, ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল কমিয়ে যানজট সমস্যার সমাধানে চক্রাকার বাস সেবা চালু করার প্রস্তাব করে ডিএমপি।

দেশে করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবের পর লকডাউন শুরু হয়। সে সময় ধানমন্ডি রুটের বাস বন্ধ হয়। আর উত্তরা রুটেরটি বন্ধ হয় আগেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে ধানমন্ডি রুটে সার্ভিস চালু হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিআরটিসি। তবে উত্তরা রুটে পুনর্বিন্যাস করে আবার চালুর কথা বলছে সংস্থাটি।

এ প্রসঙ্গে বিআরটিসি চেয়ারম্যান এহছানে এলাহী গণমাধ্যমকে বলেন, ধানমন্ডি এলাকায় আমরা শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ। এ কারণে অনেক ক্ষতি হয়। এ বিষয়ে আমি মেয়র মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। ক্ষতি একটা বড় ফ্যাক্টর। এসি বাস হওয়ায় যখন স্বাভাবিক সময় ছিল তখনই লাভ হতো কম। এখন তো পুরোপুরি লোকসান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে এই রুট আবার চালুর আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘আর ওই রুটে আমরা পলাশী পর্যন্ত না গিয়ে মতিঝিল পর্যন্ত যেতে চাই।’

উত্তরা রুটের বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিসি চেয়ারম্যান বলেন, এখানে প্রচুর লেগুনা ও রিকশা থাকে। এ কারণে গাড়ি চালানোই মুশকিল ছিল। আর আমাদের কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আসছিল না।

আজিমপুরের চক্রাকার বাসের নিয়মিত যাত্রী ছিলেন গণমাধ্যম কর্মী মঈন মোশাররফ। তিনি জানান, চক্রাকার বাসের সার্ভিসটি ভালো ছিলো। টিকিট সিস্টেম ও লাইনে দাঁড় করিয়ে যাত্রী নেয়ার কারণে বাসে উঠতে কোনো সমস্যা ছিলো না। এসব কারণে ওই বাসেই যাতায়াত করতাম।

উত্তরা রুটের যাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস। একটি বায়িং হাউজে কর্মরত আছেন। তিনি জানান, আমার অফিস উত্তরায় আর বাসা বনশ্রীতে। প্রায় ওই বাসে যেতাম। নিয়ম মেনে যাত্রী উঠানো হতো বলে ওই গাড়িগুলোতে হুড়োহুড়িও কম হতো।

বিমানবন্দর প্রগতি সরণি রুটে দিয়ে চলা গ্রিন ঢাকা পরিবহনের লাইনম্যান তাবারোক হোসেন জানান, এই রুটে চক্রাকার বাস ছিলো। লকডাউন শেষ হলেও তাদের সার্ভিস চালু হয়নি। কী কারণে ওদের বাস বন্ধ হয়েছে, জানি না।

আজিমপুরের চক্রাকার সার্ভিসের বিআরটিসি বাসের হেলপার ছিলেন রহিম মিয়া। বর্তমানে মোহাম্মদপুর-শনির আখড়া রুটের রজনীগন্ধা পরিবহনে কর্মরত তিনি। চক্রাকার সার্ভিসের অভিজ্ঞতার তুলে ধরে তিনি বলেন, গাড়িটার সার্ভিস ভালো ছিলো। কিন্তু লকডাউনে বাস বন্ধ হওনের পর আর চালু হয়নি। ওস্তাদে অন্য বাসে চাকরি লইছে, পরে আমিও আর বইয়া থাহি নাই। কামে ল্যাইগ্যা পড়ছি। বাংলাদেশ জার্নাল

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা