,

ধর্ষণ প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ড যথেষ্ট নয়, বলছে বামরা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে টানা অষ্টম দিনের মতো আন্দোলনের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক সমাবেশ করেছে বাম দলগুলো। সোমবার জাতীয় জাদুঘরের সামনে তারা এ সাংস্কৃতিক সমাবেশ করেছে। এ সময় তারা প্রতিবাদী গান, নাচ, কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করে।

আন্দোলন থেকে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন’ অধ্যাদেশের অনুমোদন যথেষ্ট নয় বলে প্রতিক্রিয়া জানায় আন্দোলনকারীরা।

ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড করে সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে মঙ্গলবার থেকে এটি কার্যকর করা হবে।

সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বিবিসিকে বলেন, ‘আগামীকালই (মঙ্গলবার) রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হবে।’

জানতে চাইলে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মসূচীতে অটল থাকব, শুধু একটি আইন হলেই ধর্ষণ কমানো সম্ভব না। তারা আইন অনুমোদন করেছে, কিন্তু আইনের ভেতর যে ফাঁক রয়েছে সেগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা করা হয়নি। বাংলাদেশের ধর্ষণের আইনে যা বোঝায় তা হলো, শুধু যৌন সঙ্গম হয় তাহলে ধর্ষণ বোঝায়, এ যে ধর্ষণের সংজ্ঞায় ভুল সে বিষয়গুলো আলোচনা করে আপনি জনগণের সামনে মূলা ঝোলালেন যে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড’।

তিনি বলেন, ‘এ আইনের অনুমোদন অপরাধ প্রবণতা আরো বাড়াবে বলে আমি মনে করি। কারণ যে ধর্ষণকারী সে মনে করবে আমি সাক্ষী রাখব কেন যাকে ধর্ষণ করেছি তাকে মেরেই ফেলি।’

আন্দোলন দমন করতে এ আইন অনুমোদন বলে তিনি মনে করেন।

কনডেম সেলে ১৮০০ ফাঁসির আসামি আছে যাদের ফাসি কার্যকর এখনো হচ্ছে না উল্লেখ করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স দেশ রূপান্তরকে বলেন, আগেই আমাদেরে দেশে ধর্ষণের বিরেুদ্ধে আইন ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কিন্তু আপরাধ কমেছি , আসলে আমাদের দেখতে হবে বিচার প্রক্রিয়া কোনভাবে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ধর্ষণ মামলায় ২০০১ সাল থেকে ২০ সাল পর্যন্ত যে মামলা রুজু হয়েছে তার তিন শতাংশের বিচার হয়েছে। সুতরাং আমরা যেটা বলতে চাই একটা সুস্থ বিচার প্রক্রিয়ার কথা। যেখানে সাক্ষী সুরক্ষা দেয়া, ভুক্তভোগীদের সামাজিক নিরাপত্তা দেয়া, পাশাপাশি আমাদের দেশে যে ধর্ষণের মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো গড়ে উঠেছে তা ভেঙে ফেলা।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের নয় দফা দাবিতে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছি নারীর প্রতি যে বৈষম্যমূলক আইন কয়েছে সেগুলো বিলোপ করার কথা আমরা বলেছি। সিনেমা, সাহিত্য, বিজ্ঞাপনে নারীদের পণ্য হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি পরিহার করতে হবে, পাশাপাশি একটা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

সাংস্কৃতিক সমাবেশে এসময় অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সমগীত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য