,

আইপিএলের দরজা খুলতে পারে মোস্তাফিজের

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের আইপিএলে বাংলাদেশি কোনো তারকা নেই। তবে একটা সুযোগ আসতে পারে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) ইংলিশ পেসার হ্যারি গার্নে কাঁধের চোটে ছিটকে পড়েছেন। তার জায়গায় বিকল্প হিসেবে শেষ মুহূর্তে আইপিএলে ঢুকে যেতে পারেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান।

ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যমে মোস্তাফিজের নামটি জোরেসোরে উচ্চারিত হচ্ছে। কেননা এবার আইপিএল হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সেখানকার উইকেটে স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পাবেন। তবে পেসারদের মধ্যে মোস্তাফিজের সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ তার বড় অস্ত্রই হলো স্লো-কাটার।

সেক্ষেত্রে বাংলাদেশি পেসারের কথা আসছে আলোচনায়। শুধু কাটারের জন্য নয়, আরও কয়েকটি কারণে মোস্তাফিজের সুযোগ মিলতে পারে। তার যে আগেও আইপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা আছে।

২০১৬ এবং ২০১৭ সালে টানা দুই বছর সানরাইজার্স হায়দরাদের হয়ে খেলেছেন, জিতেছেন শিরোপাও। এরপর ২০১৮ সালে মোস্তাফিজকে কিনে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

সেই ধারাবাহিকতা হয়তো অব্যহত থাকতো। কিন্তু গত বছর মোস্তাফিজকে খেলতে যেতে দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চোটের ঝুঁকি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। এখন অনেকটাই ফিট কাটার মাস্টার, গত বিশ্বকাপেও বেশ ভালো করেছেন।

‘ক্রিকেট টাইমস’ হ্যারি গার্নের বিকল্প কারা হতে পারেন, সেটা নিয়ে করা এক প্রতিবেদনে লিখেছে, মোস্তাফিজ কেকেআরের কাজে লাগতে পারেন। কেননা ডেথ ওভারে দলটির ভালোমানের একজন উইকেটটেকিং বোলার দরকার। তার স্লোয়ার এবং ইয়র্কার অতীতেও বেশ কার্যকর ছিল আইপিএলে, উল্লেখ করেছে ওয়েবসাইটটি।

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট