,

ভাল নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফার্ণিচার ব্যবসা, বাড়ছে হতাশা

news-image

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের থাবা পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফার্ণিচার ব্যবসায়। ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই ব্যবসায়। চাহিদা কম থাকায় কারিগর, দোকানভাড়া জের টানতে গিয়ে অনেকেই পুঁজি সংকটে ভুগছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। ফার্ণিচার ব্যবসায়ী সমিতির দেওয়া তথ্যমতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে তিন শতাধিক মত ফার্ণিচার দোকান রয়েছে। প্রতি মাসে একেকজন ব্যবসায়ী গড়ে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ফার্ণিচার বিক্রি করেন।

বড় মাপের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো তার চেয়ে বেশি বিক্রি করতেন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর সরকারি নির্দেশনায় গত ২৬ মার্চ থেকে সব দোকান বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে সরকারি নির্দেশনায় আড়াই মাস পর দোকান খোলা হয়। কিন্তু বন্ধের সময় দোকান ভাড়া ও কারখানার ভাড়া ঠিকই গুণতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। এখন দোকান খুললেও আগের মতো ব্যবসা হচ্ছে না। এর ফলে ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। নানা দু:চিন্তায় হতাশায় ভুগছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কালাইশ্রীপাড়া এলাকার সমতা কাঠ ও ফার্ণিচারের মালিক শিহাব উদ্দিন জানান, করোনাভাইরাসের আগে প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকার ফার্ণিচার বিক্রি হতো তার দোকানে। এখন মাসে ২০ হাজার টাকার ফার্ণিচারও বিক্রি করতে পারছেন না। শহরের ঈদগা মাঠ সংগল্ন আরেক ব্যবসায়ী কাশেম মিয়া বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাইনের সময় দোকানে বিক্রির মত প্রচুর ফার্ণিচার ছিল। দীর্ঘসময় দোকান বন্ধ এখন দোকান খুলে রাখলেও ক্রেতা নেই বললেই চলে। পরিচিত দুই-একজন ক্রেতা আসে, দাম জিঞ্জাসা করে চলে যায়। এভাবে চলতে থাকলে এ ব্যবস্হা করে জীবন ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। আবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে তার দোকানে অনেক অর্ডার ছিল।

কিন্তু করোনারা কারণে আর্থিক সংকট থাকায় অনেকে এখন ফোন দিলে রিসিভ করেন না। সেই অর্ডারের মালামাল নিচ্ছে না অর্ডারকারীরা। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আগের মতো ব্যবসা নেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফার্ণিচার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে। এখন দোকান খুললেও বেচাকেনা নেই। প্রবাসীরা সমস্যায় থাকায় আমাদের ব্যবসা ৫০ শতাংশ কমে গেছে। কারণ আমাদের ক্রেতারে বড় অংশই প্রবাবসীরা। আর ব্যবসার দূরাবস্থার কারণে কোন ধরনের ঋণও নিতে পারছি না।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা