,

আর্থিক কারণে ফাহিম খুন হয়ে থাকতে পারেন : মার্কিন পুলিশ

news-image

অনলাইন ডেস্ক : রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং বিনিয়োগকারী ফাহিম সালেহ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে নিউইয়র্ক পুলিশ (এনওয়াইপিডি)।

নিউইয়র্ক পোস্ট জানায়, তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, আর্থিক কারণে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন ফাহিম।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কের লোয়ার ইস্ট সাইডে নিজের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।

অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফাহিম গত বছর ২.২৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে ওই অ্যাপার্টমেন্টটি কেনেন।

পুলিশ এসে দেখতে পান, একটি বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে ফাহিমকে কাটা হয়েছে। করাতটি পাশেই পড়ে ছিল। শরীরের বিভিন্ন অংশ ভরা ছিল একটি প্লাস্টিক ব্যাগে।

শরীর থেকে আলাদা করে ফেলা হয়েছিল ফাহিমের ধড়। তাকে হত্যার নমুনা দেখে পুলিশের ধারণা, কোনো পেশাদার খুনিই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কারণ ফ্লোরে খুব একটা রক্ত দেখা যায়নি।

একটি সূত্র জানাচ্ছে, হত্যাকারীর শরীর নিনজার মতো পুরোপুরি কালো পোশাকে ঢাকা ছিল। ফলে তার চেহেরা কেউ দেখতে পায়নি।

কোনো চুরি বা ডাকাতির জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে এমনটি মনে করছেন না তদন্তকারীরা। কারণ তার অ্যাপার্টম্যান্ট থেকে কোনো কিছু চুরি বা খোয়া যায়নি।

এদিকে নিউজার্সিতে ১০ মিলিয়ন ডলারের একটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন ফাহিম সালেহ। হাডসন কাউন্টির সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর কির্ক এডি তার বিরুদ্ধে এ মামলা করেছিলেন।

ফাহিমের মালিকানাধীন প্র্যাঙ্কাডায়াল অ্যাপ ব্যবহার করে সহকর্মীদের ফোনে আঁড়িপাতার জন্য দোষী সাব্যস্ত হলে ২১ বছরের সাজা হয় এডির।

বাংলাদেশে অ্যাপ-ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং পাঠাও প্রতিষ্ঠার পরে থেকে ফাহিম সালেহ চেয়েছিলেন আফ্রিকা মহাদেশে ব্যবসা বিস্তার করতে।

এর অংশ হিসেবে ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে নাইজেরিয়াতে ‘গোকাডা’ নামে একটি রাইড শেয়ারিং সার্ভিস চালু করেন। তার সাথে সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আরো একজন ছিলেন।

কিন্তু প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যেই সংকটে পড়েন তারা। কারণ নাইজেরিয়ার সরকার মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিং নিষিদ্ধ করে। তবে নাইজেরিয়া থেকে এক বছরেই ‘গোকাডা’ ৫৩ লাখ ডলার আয় করে।

যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ হয়ে গেলে ‘গোকাডা’ পার্সেল ডেলিভারি সার্ভিস চালু করে। বর্তমানে নাইজেরিয়ার রাজধানী লেগোসে তাদের ১০০০ মোটরসাইকেল রয়েছে।

ফাহিম সালেহ নিউইয়র্কে বসবাস করতেন। ২০১৪ সালে তিনি ঢাকায় এসে প্রযুক্তি-ভিত্তিক কিছু ব্যবসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সেগুলো ব্যর্থ হয়। এরমধ্যে ‘পাঠাও’ উদ্যোগ সফল হয়েছিল।

শুরুতে পণ্য পরিবহন সার্ভিস থাকলেও পরবর্তীতে রাইড শেয়ারিং সেবাও চালু করে পাঠাও। পাঠাও প্রতিষ্ঠার সাথে ফাহিম সালেহ’র সাথে আরো দু’জন ছিলেন।

পরবর্তীতে ফাহিম সালেহ তার কিছু শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে নিউইয়র্কে ফিরে আসেন। এরপর তিনি ‘পাঠাও’ এর আদলে অন্য দেশে ব্যবসার চিন্তা করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য