,

সাহেদের প্রতারণার কৌশল ছিল গণ্যমান্যদের সঙ্গে ছবি তোলা

news-image

নিউজ ডেস্ক : আমি প্রথমেই বলেছি সাহেদ খুব ধুরন্ধর প্রকৃতির। তিনি বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে প্রতারণা করার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করতেন। তিনি স্থান পরিবর্তনের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতেন। এজন্য তার উত্তরার অফিস থেকে জাল নোট, জুতা ও স্যুটকেস ভরা কাপড় পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় র‌্যাব হেডকোয়ার্টারে নানান প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

মামলার তদন্তভার র‌্যাবের কাছে রাখতে কোনো বিব্রতবোধ করছেন কিনা? প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা বিব্রতবোধ করলে প্রতারণার অভিযোগে সাহেদ করিমকে গ্রেফতার করে আনতাম না। এতেই বোঝা যায় যে বিব্রতবোধ করার কোনো প্রশ্নই আসে না। এই মামলার তদন্তভার গ্রহণের জন্য যে প্রক্রিয়া রয়েছে সেটি মেনেই আমরা কার্যক্রম গ্রহণ করবো।

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং আমরা ছবি দেখেছি তাকে গ্রেফতারের সময় তার কোমরে পিস্তল ছিল। এমন একটি অস্ত্র তার কাছে রেখে ছবি তোলায় র‌্যাব কতটুকু দায়ত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে? এমন প্রশ্নের উক্তরে র‌্যাব ডিজি বলেন, এটা আমি দেখিনি।

সাহেদকে ক্ষমতাধরদের কেউ সহযোগিতা করেছে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা প্রতারণার অভিযোগে সাহেদকে গ্রেফতার করেছি। আসলে যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সে আরও তদন্ত করে বিস্তারিত বের করতে পারবে।

তিনি বলেন, আমি প্রথমেই বলেছি সাহেদ খুব ধুরন্ধর প্রকৃতির। তিনি বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে প্রতারণা করার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করতেন। তিনি স্থান পরিবর্তনের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতেন। এজন্য তার উত্তরার অফিস থেকে জাল নোট, জুতা ও স্যুটকেস ভরা কাপড় পাওয়া গেছে।

র‌্যাব ডিজি বলেন, রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের দ্বারা যারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন তারা র‌্যাবের কাছে অভিযোগ নিয়ে আসেন। আমরা তাদের আইনগতভাবে অভিযোগ করার পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়াও আইগতভাবে আমরা তাদেরও সহযোগিতা করছি এবং করবো।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতাল করোনা পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করে, এ ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজিকে শোকজ করা হয়। তবে মহামারির এই সময়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের যারা সাহেদকে সহযোগিতা করেছে তাদের বিষয় র‌্যাবের ভূমিকা কী? জবাবে র‌্যাব ডিজি বলেন, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিজেরাই ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেই আমরা দেখছি।

রিজেন্ট হাসপাতালের মতো দেশের অন্য হাসপাতালেও বিভিন্ন প্রতরণার অভিযোগ রয়েছে, সেসব হাসপাতালেও র‌্যাব এমন অভিযান অব্যাহত রাখবে কিনা? জানতে চাইলে র‌্যাব ডিজি বলেন, আপনারা জানেন কয়েকদিন আগেও আমরা এসএইচএফ হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছি। সেই হাসপাতালের মালিক ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতা নিয়ে এসেছি। যেখানে আমরা তথ্য পাচ্ছি সেখানেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করছি।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা