,

সন্তোষজনক ঢাকার বাতাসের মান

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে করোনায় সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকাবাসীর জন্য মিললো স্বস্তির খবর- দূষিত বাতাসের মানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে এ শহরের স্কোর ছিল ৩০, যা বাতাসের মানকে ‘সন্তোষজনক’ বলে নির্দেশ করে। একিউআই সূচকে ৫০ এর নিচে স্কোর থাকার অর্থ হলো বাতাসের মান ভালো।

চীনের বেইজিং, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই যথাক্রমে ১৬০, ১৫৪ ও ১৫১ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার প্রথম তিনটি স্থানে রয়েছে।

এ সূচকে ৫১ থেকে ১০০ স্কোরের মধ্যে থাকলে বাতাসের মান গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেয়া হয়। তবে একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে নগরবাসী বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মৌসুমি জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টিপাত, উচ্চ তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতায় বৈচিত্র্য দেখা যায়।

জনবহুল ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই দূষিত বাতাস নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। মূলত নির্মাণ কাজের নিয়ন্ত্রণহীন ধুলা, যানবাহনের ধোঁয়া, ইট ভাটা প্রভৃতি কারণে রাজধানীতে দূষণের মাত্রা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে মধ্য জুন থেকে বৃষ্টিপাত শুরুর পর বাতাস পরিষ্কার হতে আরম্ভ করে। আর জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বর্ষার মৌসুমে বাতাসের মান মোটামুটি গ্রহণযোগ্য থাকে।

বিশ্বব্যাংক ও পরিবেশ অধিদফতরের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে এ শহরের চারপাশে অবস্থিত ইট ভাটাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।