বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজের রেস্টুরেন্ট জ্বললেও বিক্ষোভকারীদের সমর্থন আমেরিকান-বাংলাদেশির

news-image

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে মিনেপোলিসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভে এক বাংলাদেশি পরিবারের ভূমিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দিয়ে তারা উঠে এসেছেন দেশটির শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের শিরোনামেও।

গত সোমবার জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে জর্জ ফ্লয়েড নামে কৃষ্ণাঙ্গ এক যুবককে সিনেমাটিক কায়দায় হাঁটু চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ অফিসার।

এ ঘটনার বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে মিনেপোলিসে। হোয়াইট হাউসের সামনেসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

এর মধ্যে অগ্নিগর্ভ রূপ নিয়েছে মিনেপোলিস। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, টিয়ার সেল, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ওই বাংলাদেশি পরিবার পুলিশের রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস থেকে বাঁচাতে বিক্ষোভকারীদের আশ্রয় দিয়েছেন নিজের রেস্টুরেন্টে। এতে আগুনে পুড়েছে দোকানটিও।

গান্ধী মহল এলাকায় বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী রুহেল ইসলাম বিক্ষোভের সমর্থনে ফেসবুকেও পোস্ট দেন। সেটি এখন ভাইরাল। পোস্টটিতে তিনি বলেন, আমার রেস্টুরেন্ট জ্বলে যাক, এরপরেও ন্যায়বিচার আদায় জরুরী।

নিজের ভবন আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিক্ষোভে তার এমন সমর্থন বেশ সাড়া ফেলেছে স্থানীয় মহলে। এর মধ্যে তার পোস্ট শেয়ার হয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি।

ওই পোস্টে রুহেল ইসলামের ১৮ বছর বয়সী মেয়ে হাফসা ইসলামের বক্তব্য, আমরা যদিও আশা ছাড়ব না, আমি আমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞ যারা গান্ধী মহলকে রক্ষা করেছেন। আপনাদের এই ভূমিকা কোনোভাবেই মুছে যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আপনারা আমাদের জন্য চিন্তা করবেন না, আমাদের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আমরা সেটি নতুন করে নির্মাণ করব, নতুন করে ঠিকঠাক করব।

হাফসা ইসলাম জানান, বিক্ষোভে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের রেস্টুরেন্ট। আগুনে এক পর্যায়ে তার বাবা রুহেল ইসলাম দোকান থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন।

এই তরুণী বলেন, দোকান পুড়ে যাওয়ায় প্রথমে আমি ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। কারণ এটিই আমাদের পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন ছিল। কিন্তু পরে ভাবলাম, আমরা সব সময় আমাদের কমিউনিটির সঙ্গে আছি। যদি আমাদেরও তার (জর্জ ফ্লয়েড) মতো অবস্থা হয় তখন কী হবে।

রুহেল ইসলাম বলেন, আমি ভেতরে এটিই কাজ করেছে, আমি তো ইট দিয়ে আমার ভবন সারিয়ে তুলতে পারব কিন্তু একটা প্রাণ তো ফিরিয়ে আনতে পারব না। আমরা একজনকে হারিয়েছি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম টুডেকে রুহেল ইসলাম জানান, ১৯৯৬ সালে ১৯ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তিনি। শুরুতে নিউইয়র্ক সিটিতে এক রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে