শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনার উপসর্গ নিয়ে সাংবা‌দিক সুমন মাহমুদের মৃত্যু

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : জ্যেষ্ঠ সাংবা‌দিক সুমন মাহমুদ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় আসগর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ইমরান রহমান জানান, ভোরের কাগজের সাবেক এই সিনিয়র সাংবাদিকের করোনায় মৃত্যু হয়েছে কিনা নিশ্চিত নয়। তার করোনা উপসর্গ ছিল। তিনি দুই বার টেস্ট করান। দুই বারই ফলাফল নেগেটিভ আসে। পরে শ্বাসকষ্ট ও করোনার বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী অধ্যাপক ডা. পারভীন শাহীদা আকতার দেশের প্রখ্যাত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ।

রাতেই তার লাশ বনানীতে বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবার।

সাংবাদিক সুমনের ভাই কর্নেল (অব.) মঞ্জুর আহমেদ হেলাল বলেন, জামালপুর জেলার মেলানদহ থানার পাচতইলা গ্রামের মরহুম নিজামউদ্দিন আহমেদের ছেলে সুমন। রাজধানীর আসাদ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। ১২ মে থেকে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন সুমন। যেহেতু শ্বাসকষ্ট করোনার উপসর্গ তাই সুমন মাহমুদকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা শেষে একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে থাকা সম্ভব নয় ভেবে সুমন মাহমুদকে বাসায় নিয়ে আসলে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।

তিনি জানান, পরে ওই দিন রাতেই আজগর আলী হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। ১৩ তারিখ শ্বাসকষ্ট আরো বেড়ে যায়। ১৪ তারিখ থেকে নেবুলাইজার দেয়াসহ সব ধরনের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ওই দিন থেকেই তিনি অচেতন অবস্থায় ছিলেন। এর মাঝখানে দুইবার করোনা টেস্ট করানো হয়। যার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুমন মাহমুদ দীর্ঘদিন থেকে অবসর জীবন যাপন করছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি দৈনিক ভোরের কাগজসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে যুক্ত ছিলেন।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এক বার্তায় বলেন, ষাটের দশকে ছাত্রলীগের নেতা হিসাবে সুমন মাহমুদ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিএলএফের সদস্য হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। জাসদের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই জাসদের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং ১৯৭৯-৮১ সালে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি সক্রিয় দলীয় রাজনীতি ছেড়ে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ