,

উপকূলজুড়ে ‘আম্পান’ মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি

news-image

খুলনা প্রতিনিধি : সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ মোকাবেলায় খুলনার উপকূলজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।খুলে দেয়া হয়েছে প্রায় ৪০০ আশ্রয়কেন্দ্র। বিভিন্ন স্কুল-কলেজও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সতর্ক করতে চলছে বিরামহীন মাইকিং। প্রস্তুত রয়েছে উদ্ধার কর্মী ও মেডিকেল টিম। ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫০ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

‘আম্পান’-এর সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় দেশের সর্বদক্ষিণে উপকূলীয় অঞ্চল কয়রা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকাবাসীকে এ ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জানিয়ে নদী তীরবর্তী অঞ্চলে মাইকিং করা হচ্ছে। উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে খোলা হয়েছে সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা জানান, কয়রায় ১১৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ওই সব এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাকা ভবনগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ১৪টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাফর রানা বলেন, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সিপিপি মাধ্যমে উপজেলার ১ হাজার ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’-এর সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় ইতিমধ্যে কয়রার ৭টি ইউনিয়নে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিতে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দাকোপ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খানের সভাপতিত্বে জরুরি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আ. ওয়াদুদ, চালনা পৌর মেয়র সনৎ কুমার বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড় ও খাদিজা আক্তার, উপজেলা সব কর্মকর্তা এবং ৯ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা।

সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলাতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। ১০৮টি সাইক্লোন শেল্টার এবং সব প্রাথমিক ও হাইস্কুলের ভবন খুলে দেয়া হয়েছে দুর্গতদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য খাদ্য তথা ইফতারি এবং সেহেরির জন্য নগদ অর্থ চেয়ারম্যানদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সুপার সাইক্লোন আম্পানের আঘাত থেকে দাকোপের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন পৃথক সভায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলাজুড়েও ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে চালু করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ২২টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা খোলা রাখা হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫০ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা

সৌদির এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে হুতি