,

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ : সাতক্ষীরায় আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছে মানুষ

news-image

নিউজ ডেস্ক : অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও কক্সবাজারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। কক্সবাজারে আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ঝড়ের ক্ষতি মোকাবিলায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দুটি ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষ ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন।

উপজেলার গাবুরা, পদ্মপকুর ও আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে মাইকিং করে মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। লাল পতাকা টাঙিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত দেওয়া হয়েছে এসব এলাকায়।

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, রবিবার রাতে চাঁদনীমুখো এলাকায় স্কুল, মাদ্রাসা মিলিয়ে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক হাজার ২৫০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী আতাউল ইসলাম জানান, তার ইউনিয়নের তিনটি স্কুলে দেড়শ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

ওই দুই ইউপি চেয়ারম্যান জানান, আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রত্যেক ঘরে একটি করে পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে তারা বাড়িতে লকডাউনে থাকার মতো করেই থাকছেন। কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মানুষ না আসতে চাইলে প্রয়োজনে বল প্রয়োগ করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হবে।

বাগেরহাট

বাগেরহাটে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি মানুষের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৯৭৭ টি আশ্রয়কেন্দ্র। ঘূর্ণিঝড়ে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আশ্রয় নেবে মানুষ। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ এই জানান, এই দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে জরুরি সভা হয়েছে। জেলা ও উপজেলাগুলোতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। বোরো ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলতে কৃষি বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলার ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্কুল ও কলেজের ভবনগুলো খোলা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কক্সবাজার

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে মোট ৫৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি রাখা হয়েছে।

উখিয়া ও টেকনাফে ৩৪টি রোহিঙ্গা আশ্রয় ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পগুলোতে সেনা সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের যৌথ মহড়া হয়েছে। জরুরি খাদ্য হিসাবে মুড়ি, চিড়া, গুড়, পানিসহ তৈরি খাবারের প্যাকেট তৈরি করা রাখা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা