,

সাবেক স্বামীই ধর্ষণের পর সালমাকে হত্যা করেন

news-image

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার শাজাহানপুরে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া সালমা বেগম (২৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সাবেক স্বামী সোহেল সাকিদার (৩০) প্রথমে ধর্ষণ ও পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে খুন করেন সালমাকে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়ার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সোহেল সাকিদার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী।

গত মঙ্গলবার সকালে বগুড়ার শাজাহানপুর থানার পশ্চিম আশেকপুরের ধানক্ষেত থেকে ছাইদুজ্জামান খাঁর সদ্য তালাকপ্রাপ্ত মেয়ে সালমা বেগমের (২৫) নগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যাগ ফ্যাক্টরিতে কাজ করা সালমা তার দুই সন্তান নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ২০০ গজ দূরে সড়ক বিভাগের জায়গায় ঘর বানিয়ে বসবাস করতেন। গলায় ফাঁস লাগা অবস্থায় ও পাজামার ফিতা দিয়ে তার দুইহাত বাঁধা ছিল। তার স্তনও ক্ষতবিক্ষত ছিল।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, সালমাকে ধর্ষণের পর ওড়না পেঁচিয়ে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় মামলার নিবিড় তদন্ত শুরু করা হয়।

এ ব্যাপারে সালমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সালমার সাবেক স্বামী সোহেল সাকিদার তাকে উত্যক্ত করতেন। বিভিন্ন সময়ে সালমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিতেন। পুলিশ এসব তথ্য জেনে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয়।

বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সম্প্রতি সালমার সঙ্গে শহরের কলোনি এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে অনেক কথা হয়েছিল। সে ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আটক করে পুলিশ। তিনি জানান, তার মোবাইল ফোনটি কয়েকদিন আগে হারিয়ে গেছে। তখন তদন্তকারী দল উচ্চতর তদন্ত কৌশল ব্যবহার করে সেই মোবাইল ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। পরে জানা যায়, তিনি সালমার সাবেক স্বামী সোহেল।

সোহেল সাকিদারকে জিজ্ঞাসাবাদের করাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নতুন সিম দিয়ে নিজের পরিচয় গোপন করে তিনি সালমার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ২৭ তারিখ রাত দশটার দিকে বাড়ির বাইরে দেখা করতে আসতে বলেন। সালমা তাকে চিনতে পেরে ফিরে যাবার চেষ্টা করলে সোহেল গামছা দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলে। পরে পাজামার ফিতা খুলে সেটি দিয়ে হাত বেঁধে ধর্ষণ করে। এরপর সালমার ওড়না দিয়ে তার গলায় প্যাঁচ লাগিয়ে হত্যা করে সেখান থেকে চলে যায়।

বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘আমার ৪ বছর পুলিশে চাকরির এটা সেরা ডিটেকশন। কারণ, খুনি মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আরও দুইজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু গভীর তদন্ত শেষে খুনির মিথ্যা বলা নাটক থেকে ওই দুজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।’ তবে সে ব্যক্তিগুলো কারা তা জানাননি তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা