,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোনালী ধানের বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকটে ধান কাটা ব্যাহত

news-image

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নাসিরনগর, সরাইল ও নবীনগরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় সোনালী ফসল ধানে ছেঁয়ে গেছে বিস্তৃত ভূমি। যা চোঁখ জুড়ানো মত। ধানের উৎপাদনে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক। কিন্তু আকষ্কিক করোনার থাবায় তাদের স্বপ্ন অনেকটা যেন লন্ড ভন্ড। মাঠে মাঠে যখন পাকা ধান কাটার সময় হয়েছে তখনই হানা দিয়েছে প্রান ঘাতি করোনা। আর এর প্রভাবে ধান কাটা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জমিতে পাঁকা ধান থাকলেও ধান কাটার শ্রমিক মিলছে না। বাধ্য হয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকটা লুকো ছাপ করে ধান কাটছেন অনেক কৃষকরা। এ নিয়ে চিন্তিত কৃষক, চোঁখে-মুখে হতাশা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, জেলার নাসিরনগরের ধরন্তি হাওর, শাপলা বিল, লইস্কা বিলসহ চারিদিকে সোনালী ফসলের আভা। মাঠজুড়ে এই সোনালী ফসল। চলমান করোনার প্রভাবে ব্যাপকভাবে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে জেলায়। অন্য জেলা থেকে ধান কাটার শ্রমিক আসতে পারছে না। টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া দুঃসাধ্য। কৃষকরা বলছেন, ধান কাটার সময় নরসিংদী, কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রমিকরা এসে ধান কাটায় অংশ নিত। কিন্ত করোনা সংকটের কারণে শ্রমিকরা ধান কাটার জন্য আসতে পারছে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কৃষক নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়েই কোন রকমে কষ্টার্জিত ধান ঘরে তুলতে কোন রকমে কাজ করছেন। ফলে মাঠের ধান মাঠেই নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এছাড়াও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষক রহমত আলী ও আমির হোসেন বলেন, জমির কাছে এসে পাকা ধান দেখে বুকটা হাহাকার করছে। কি ভাবে ফসল কাটব বুঝতে পারছিননা। জমি তো পাঁকা ধানের গন্ধে ম” ম” করছে। ফসলের উৎপাদন ভাল হয়েছে।শ্রমিক সংকট তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কোন রকমে ধান কাটা চালিয়ে যাচ্ছি। কৃষি বিভাগ সুত্র জানায়, চলতি বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ লাখ ১০ হাজার ৮শ ৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার হেক্টর হাওড়ের ফসল রয়েছে। জমির ধান থেকে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮শ ১০ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৬শ কোটি টাকা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক, মোঃ রবিউল হক মজুমদার বলেন, দুর্যোগময় পরিস্থিতি কৃষকের জন্য আসলেই বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে তিনি শ্রমিক সংকটসহ সমস্যা সমাধানের কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার এ জন্য ধান কাটার যন্ত্র দিয়েছে ভতুর্কি দিয়ে। গত ২০১৭-১৮-১৯ সালে জেলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়। এতে জেলার খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়। চলতি বছরও বাম্পার ফলনের আশা করছি আমরা।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা