বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করতে রাজি নন শ্রমিকরা, ধর্মঘট চলছে

news-image

নিউজ ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সারাদেশে কাজকর্মে স্থবিরতা নামলেও থেমে নেই কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ। তবে শ্রমিকদের একাংশ নিরাপত্তার জন্য কাজ বন্ধ রাখার দাবিতে ধর্মঘটে গেছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করছে। কাজে না গেলে চাকরি থাকবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শ্রমিকরা। বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও প্রকল্পের তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (সিপিজিসিবিএল) এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিকরা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকাটি লকডাউনের দাবি জানান। শ্রমিকদের আরও দুটি দাবি ছিল। তা হলো, লকডাউন অবস্থায় শ্রমিকের তিন মাস বেতন দিতে হবে ও কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাবে না। এ দাবিতে তারা শুক্রবারও কাজে অংশ নেননি। মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদার জাপানি সংস্থাগুলো আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শ্রমিক নেয়। এখানে বর্তমানে প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কাজ করছেন।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন শ্রমিক সমকালকে জানান, তারা এখনও মার্চের বেতন পাননি। হাতে কোনো টাকা নেই। এ অবস্থায় জাপানি কর্মকর্তাদের কাছে বেতন ও লকডাউনের দাবি জানালে তারা বলছেন, কোনো টাকা দেওয়া হবে না, কাজ করলে চাকরি থাকবে। কেউ চলে যেতে চাইলে চলে যাক।

জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সব নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। মাতারবাড়ির কাজও বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এজন্য কোনো শ্রমিকের চাকরি যাবে না।

তবে সিপিজিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল মোত্তালিব জানান, সেখানে বিদেশি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তারা তাদের মতো শ্রমিক দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে তাদের করণীয় কিছু নেই। যদি বিদেশিরা কাজ চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে কাজ চলবে। তারা কেন মানা করবেন।

বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কপবাজারের মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১৪ সালে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয় ২০১৭ সালে। প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ২৮ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা সাহায্য হিসেবে দিচ্ছে জাইকা। অবশিষ্ট সাত হাজার ৪৫ কোটি টাকা সরকার ও সিপিজিসিবিএল সরবরাহ করছে। ২০২৪ সালে এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে