,

বঙ্গবন্ধু হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ৫ খুনির কে কোথায়

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক ৬ আসামি হচ্ছেন- আব্দুল মাজেদ, এএম রাশেদ চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, খন্দকার আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান। তাদের মধ্যে সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন আবদুল মাজেদ।

এএম রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে এবং এসএইচএমবি নূর চৌধুরী কানাডায় স্থায়ীভাবে বাস করছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কয়েক বছর ধরেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর কথা বলছে সরকার। যদিও এ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। আর অবশিষ্ট ৩ জনের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই সরকারের কাছে। পুলিশ সদর দপ্তরের দায়িত্বশীল একটি সূত্রের খবর, এ তিনজন এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে আসা-যাওয়া করছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের মধ্যে রাশেদ চৌধুরী এবং নূর চৌধুরীর অবস্থানের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনিশ্চিত তথ্য রয়েছে। অন্যদের বিষয়ে সুনিশ্চিত তথ্য নেই। তবে তারা বিভিন্ন দেশে যাওয়া-আসা করছেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে চিঠি দিয়ে অবহিত করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে পলাতক ছয়জনের বিষয়ে ইন্টারপোল থেকে রেড নোটিশ জারি করা আছে। ২০০৯ সালে এ নোটিশ জারি হয়। এর পর প্রতি পাঁচ বছর পর পর এ নোটিশ নবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রাশেদ চৌধুরী ও নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে সরকার যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। অন্যদের মধ্যে মোসলেহ উদ্দিন ভারত অথবা পাকিস্তানে আছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পাকিস্তানকে বিভিন্ন সময় চিঠি দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি। আর ভারত বলেছে, মোসলেহ উদ্দিন তাদের দেশে নেই। আব্দুর রশিদ ফ্রান্স, ইতালি, লিবিয়া, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মধ্যে কোনো একটি দেশে থাকতে পারেন। আর শরিফুল হক ডালিম চীন, ইংল্যান্ড, হংকং, কেনিয়া, লিবিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে কোনো এক দেশে থাকতে পারেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশে চিঠি পাঠিয়ে সহযোগিতা চাওয়া হলেও প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কানাডায় বসবাসরত নূর চৌধুরীকে দেশটির সরকার ফেরত পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করায়। কারণ কানাডায় মৃত্যুদণ্ড নিষিদ্ধ। অপরদিকে রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র এড়িয়ে যাচ্ছে। তাকে হয়তো যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে। দুজনকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান আছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন। নিম্ন আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদ- নিশ্চিতকরণের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেন।

২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া পাঁচ আসামির আপিল খারিজ করেন। ফলে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে হাইকোর্টের দেওয়া ১২ খুনির মৃত্যুদ্ডাদেশ বহাল থাকে। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। রায় কার্যকরের আগেই ২০০১ সালের জুনে জিম্বাবুয়েতে মারা যান আজিজ পাশা। আমাদের সময়

এ জাতীয় আরও খবর

বিতর্কের জেরে সরানো হলো মেহজাবীন-পরীমণির ভুয়া ভিডিও

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ২৫ হাজার পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি

দুর্গাপূজা বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক: জি এম কাদের

সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাতে সহযোগিতা করবে সরকার

ভারত থেকে দেশে পৌঁছাল উন্নত প্রযুক্তির ১৮ রেলকোচ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দুই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা

দুই মাস পর বড়পুকুরিয়া খনিতে আবারও কয়লা উত্তোলন শুরু

‘নুর হাসিনার পুত্র হলে, আসিফ-নাহিদরা নাতি’: আবু হানিফ

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে দারিদ্র্য হ্রাসের আশা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের

ইংল্যান্ড নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনিসা

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, পরীক্ষার্থীর এক মাসের কারাদণ্ড

শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি