,

করোনা ঠেকানোর যন্ত্র আবিষ্কার করতে গিয়ে বিজ্ঞানী বিপদে

news-image

নিউজ ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ান এক বিজ্ঞানী এমন একটি যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছিলেন যেটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সাহায্য করবে। কিন্তু এটি উদ্ভাবন করতে গিয়ে বিপদে পড়ে সেই বিজ্ঞানীকেই হাসপাতালে দৌঁড়াতে হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন নামের ওই বিজ্ঞানী যা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন সেটি অনেকটা নেকলেস বা কণ্ঠহার আকৃতির একটি যন্ত্র। কেউ মুখে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলেই এই যন্ত্রটি শব্দ করে সতর্ক করে দেওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন, ড. রিয়ার্ডনের যন্ত্রটি আসলে সেভাবে কাজ করছিল না।

তিনি বলেন, ‘আমার আবিষ্কারটির বেলায় আসলে উল্টো ব্যাপার ঘটলো, এটি ক্রমাগত শব্দ করে যাচ্ছিল যতক্ষণ না এর কাছে একটি চুম্বক এনে রাখা হচ্ছিল। বিপদে পড়েছি বুঝতে পারছিলাম। আমি নিজে নিজেই হাসছিলাম এবং হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম।’

ভুক্তভোগী বিজ্ঞানী বলেন, ‘এরপর আমি কোনো কিছু না ভেবেই এই চুম্বকের টুকরোগুলো আমার মুখের ওপর রাখতে শুরু করলাম। প্রথমে আমার কানের লতিতে, তারপর আমার নাকের ফুটোর কাছে। তবে বিপদ ঘটলো যখন আমি দ্বিতীয় নাকের ফুটোর কাছেও একটা চুম্বক রাখলাম। তখন চুম্বকের টুকরোগুলো একটা আরেকটার সঙ্গে লেগে গেল। একটা চুম্বক আমার নাকের ভেতর আটকে গেল।’

তখন ড. রিয়ার্ডন অন্য চুম্বকের টুকরোগুলো ব্যবহার করে ভেতরের টুকরোগুলো বের করে আনার চেষ্টা করলেন। কিন্তু পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। শেষ দুটি চুম্বকের টুকরোও নাকের ভেতর আটকে গেল। এবার তিনি একটি প্লায়ার্স ব্যবহারের চেষ্টা করলেন। কিন্তু নাকের ভেতরের চুম্বকগুলো তার প্লায়ার্সটিকে আকর্ষণ করছিল। তখন তিনি নাকের ভেতর ব্যথাও অনুভব করছিলেন।

ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন অবশ্য খুব শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করলেন। তার ভাষায়, ‘প্রথমে একটু ব্যথা লাগছিল। তবে আমি খুব বেশি বিচলিত হইনি। কিন্তু যখন আমি বুঝতে পারলাম যে এই চুম্বকের টুকরোগুলো আমার পক্ষে বের করা সম্ভব নয়, তখন আমি বেশ ঘাবড়ে গেলাম।’

এই পর্যায়ে এসে ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন বুঝতে পারলেন এবার তাকে হাসপাতালে যেতেই হবে। তবে মেলবোর্নের যে হাসপাতালে তাকে যেতে হলো সেখানে কাজ করেন তার প্রেমিকা। তিনি বলেন, ‘ডাক্তাররা সবাই আমার বান্ধবীকে চিনত। তারা সবাই হাসাহাসি করছিল। তারা জিজ্ঞেস করছিল তুমি কি নাকের ভেতর চুম্বকের টুকরো রাখছিলে?’

তবে ডাক্তাররা শেষ পর্যন্ত চুম্বকের টুকরোগুলো নাকের ভেতর থেকে বের করে আনতে পারলেন। শেষ পর্যন্ত সুস্থভাবেই তিনি হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতে সক্ষম হলেন। এ ঘটনার পর ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন তার যন্ত্র উদ্ভাবনের কাজে আপাতত ক্ষান্ত দিয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা