,

রংপুরে ফোরলেনের কাজ শুরু, রাতারাতি গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা

news-image

রংপুর ব্যুরো : রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে ফোরলেনের কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শুরুর পর রাতারাতি মহাসড়কের দুই ধারে গড়ে উঠেছে অসাধু ব্যক্তিদের ঘর-বাড়ি, মার্কেট ও হাট-বাজার। এর কারণে ভূমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন কাজে ব্যাঘাত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সরেজমিনে নগরীর মর্ডাণ মোড়, ধর্মদাস পাঁচ মাইল, দমদমা, বৈরাগীগঞ্জ, জায়গীরহাট, মিঠাপুকুর, শঠিবাড়ি, বড়দরগাহ বাজারে এ চিত্র দেখা গেছে।

ফোরলেন সড়ক নির্মাণ কাজের রংপুর প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা গেছে, এশিনায় উন্নয়ন ব্যাংকের আর্থিক সহয়তায় সাসেক-টু প্রকল্পের আওতায় হাটিকুমুল থেকে রংপুরের মর্ডান মোড় পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি ৮টি প্যাকেজে আওতায় নির্মাণ করা হবে। প্যাকেজ ৭ এর আওতায় রয়েছে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগা পর্যন্ত ২৭ দশমিক ২ কিলোমিটার সড়ক।১৬০ থেকে ১৪০ ফুট প্রশস্ত এই চার লেনের মহাসড়কের দুই পাশে আলাদা দুটো লেন থাকবে। এই লেনে স্লো মুভিং ভিকেল (সল্প গতির) যানবাহন চলাচল করবে। প্যাকেজ-৭ এর আওতায় ২৭ কিলোমিটার এই সড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৫শ’ কোটি টাকা। এর জন্য জমির প্রযোজন ১৭০ একর। এরমধ্যে ৭১ একর জমি হুকুম দখল করা হয়েছে। জমির মালিকদের পরিশোধ করা হয়েছে ১২০ কোটি টাকা।

গত বছরের জুন মাসে এর কার্যাদেশ পাওয়ার পর বিভিন্ন জটিলতায় নির্মাণ কাজ শুরু হয় ডিসেম্বর মাসে। পলাশবাড়ী থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ বড়দরগা পর্যন্ত সড়কে রয়েছে ৩০টি কালভার্ট ৫টি অত্যাধুনিক আন্ডারপাস। এরমধ্যে ৬টি কালভার্টের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। সেই সঙ্গে সড়কের দুই ধারে মটি ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।ফোরলেন সড়কের পালশবাড়ি অংশ থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগা অংশের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী ম. আফিদ হোসেন জানান, এই সড়ক নির্মাণ করতে ১৭০ একর জমির প্রয়োজন। ৭১ একর জমি হুকুম দখল করা হয়েছে। জমির মালিকদের ১২০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

সড়ক আইন অনুয়ায়ী মহাসড়কের দুই ধারে ১০ মিটার (৩৩ ফিট) মধ্যে বাড়ি-ঘর,দোকানপাট ও মার্কেট নিমার্ণের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু পলাশবাড়ি, ধাপেরহাট ও পীরগঞ্জ এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি রাতারাতি সড়কের দুই ধারে বাড়ি-ঘর,দোকানপাট ও মার্কেট নির্মাণ করেছে। এতে করে জমি হুকুম দখল করতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে। ফলে কাজে কিছুটা ব্যাঘাত হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, তিন মাসে প্রকল্পের প্রায় ৪ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে ১০ ভাগ কাজ শেষ করতে পারবো। জেলা প্রশাসন আমাদের সময় মতো জমি বুঝে দিতে না পারলে তিন বছর মেয়াদী এই প্রকল্প শেষ করতে বেগ পেতে হবে।

রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসান জানান, রাতারাতি সড়কের দুই ধারে বাড়ি-ঘর,দোকানপাট ও মার্কেট নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। আমারা নোর্টিশ দিয়েছি ও ভিডিও করে রেখেছি। যারা সড়কের দুই ধারে রাতারাতি এই অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা