,

নবীনগরে বিখ্যাত সনাতনী পদ্ধতিতে তৈরি রঞ্জিতের চানাচুর

news-image

সঞ্জয় শীল, নবীনগর : ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নবীনগর ভোলাচং গ্রামে রঞ্জিত দাশ নিজ বাড়িতে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে সনাতনী পদ্ধতিতে তৈরি করে চলেছেন চানাচুর। যা ইতিমধ্যে স্বাদ ও মজাদার হওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে জনপ্রিয় উঠেছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা ভোলাচং গ্রামের রঞ্জিত দাসের চানাচুর কিনতে আসছেন। এ বিষয়ে ভোলাচং নতুন বাজারে অবস্থিত রঞ্জিত দাসের মুদি দোকানে গিয়ে খোঁজ নিলে জানা যায় বার্ধ্যকজনিত কারনে তিনি এখন নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। বর্তমানে দোকানটি পরিচালনা করছেন তার ছেলে শিবুকুমার দাশ।

শিবকুমার দাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার বাবা একসময় সিঙ্গরা-ভাজিঁ-ডালপুরী বিক্রি করতো। মনের খেয়ালে একদিন তিনি চানাচুর বানাতে উৎসাহিত হন ও একদিন বানিয়ে পরিবারের সদস্যসহ নিকটজনদের খেতে দেন। সবাই খুব প্রশংসা করলে তিনি দোকানে অল্প পরিমানে বানিয়ে বিক্রি করতে থাকলে দ্রুত এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে থাকে সবখানে। আস্তে আস্তে দুর-দুরান্ত থেকে চানাচুর খেতে ও বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেকেই আসতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে কোন কেমিক্যাল বা রং না ব্যবহার করে বাড়িতে চানাচুর তৈরি করে বিক্রি করে আসছি। তিনি আরো জানান, ১৬০ টাকা প্রতি কেজি ধরে দিনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ কেজি চানাচুর বিক্রি করে চলেছেন তিনি।

এতে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকা আয় হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কিন্তু বর্তমানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাদের ( রঞ্জিত চানাচুর ) নাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বানিজ্যিক ভাবে চানাচুর বিক্রি করে আসছেন। এতে অনেক ক্রেতাই হচ্ছেন বিভ্রান্ত ও প্রতারিত। তাতে করে বিক্রি যেমন কমে আসছে তেমনী বাড়ছে হতাশা। একদিকে দ্রব্যমূল্যের মূল্য বৃদ্ধি অন্য দিকে আগের মতো বিক্রিও হচ্ছে না। মো. হোসেন মিয়া নামে একজন ক্রেতা জানান, তিনি পাশবর্তী মুরাদনগর থানা থেকে এসেছেন রঞ্জিত দাশের চানাচুর কিনতে।

রঞ্জিত দাশের চানাচুরের কথা তিনি শুনেছেন অনেক দিন ধরে, তাই তিনি আজকে আসছেন কিনতে। মারুফ নামে আরেকজন ক্রেতা জানান, এখন মুদি দোকানসহ বিভিন্ন স্টেশনারীতে রঞ্জিত দাশের চানাচুর বিক্রি করা হলেও তাতে কেমন জানি গন্ধ করে ও বিস্বাদ লাগে। পরে জানতে পারলাম আমি প্রতারিত হয়েছি। এজন্য অনেক খুঁজে আজ সরাসরি রঞ্জিত দাশের দোকানে চানাচুর কিনতে আসলাম।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা