,

রংপুর অঞ্চলে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে শঙ্কিত কৃষক

news-image

রংপুর ব্যুরো : টানা কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় বোরো ধানের চারা নিয়ে রংপুর অঞ্চলের নীলফামারী, কুড়িগ্রাম,গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার কৃষকের দুশ্চিন্তার সীমা নেই। আধুনিক চাষাবাদের পদ্ধতিতে চারা রক্ষার কৌশল থাকলেও তা কাজে লাগানো কৃষকের সংখ্যা কম। প্রতিকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে বোরো বীজতলার বড় ধরনের ক্ষতির আশংকা করছেন কৃষকরা।

দেখা গেছে,বোরো মৌসুমের বীজতলার বিষয়ে কৃষকদের মাঝে সেই পুরাতন পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া লক্ষণীয়। ফলে শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশায় অনেক বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে দেরিতে ধান বীজ ছিটানো বীজতলাগুলো চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে নিরাপদ ধান চারা তৈরি সম্ভব। আধুনিক চাষ পদ্ধতির বার্তা নিয়ে তাই মাঠ পর্যায়ে ঘুরছেন কৃষি কর্মকর্তারা। বিশেষ করে কুয়াশা ঘেরা দিনে পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দেওয়া ও পর্যাপ্ত পানি রাখতে হবে বীজতলায়।

জানাগেছে, গেল এক সপ্তাহ ধরে রংপুর অঞ্চলে উপর দিয়ে মাঝারি ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। এতে বোরো ধানের বীজ তলায় হলদে রং ধারণ করছে। পরিস্থিতি উত্তরণের বিষয়ে কৃষি বিভাগের আধুনিক চাষাবাদ কৌশল অনুসরণ করছেন না বেশিরভাগ কৃষক। প্রথাগত বিষয় ধরে বীজতলা তৈরি করায় দুশ্চিন্তায় ডুবে যাচ্ছে বেশিরভাগ কৃষক।

রংপুর কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই অঞ্চলের রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামরী ও গাইবান্ধা জেলায় ২৩ হাজার ২০১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত ১৮ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে বীজতলা করা হয়েছে। এ সব বীজতলার বয়স ২০ থেকে ৩০ দিন।

মিঠাপুকুরের ভাংনী গ্রামের কৃষক শাহাদৎ হোসেন ও চর তাম্বুলপুরের কৃষক মজনু বলেন, বাপ দাদার আমল থেকে চারা দিয়ে আসছি। কোনদিন বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়নি। এর মধ্য দিয়ে যা হয় তাই দিয়ে ধান আবাদ করি।

নগরীর আরাজী তামপাট গ্রামের নুর ইসলাম ও আশরাফুল আলম বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী বেড তৈরি করে চারা দিয়েছি। দিনের কুয়াশায় পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিচ্ছি আর সন্ধ্যায় পানি ভরে দিয়ে সকালে বের করে দিচ্ছি। এতে আমার চারা খুব সুস্থভাবে বেড়ে উঠছে। পাশে যারা গতানুগতিক ব্যবস্থায় চারা দিয়েছে তাদের চারা নষ্ট হচ্ছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, তারা বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা ও সালফারযুক্ত ওষুধ ছিটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া বীজতলায় জিপসাম ও ইউরিয়া দিতে বলা হচ্ছে। তিনি আশা করেন, রোদ পেলে চারা সজিব হয়ে উঠবে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা