,

দহগ্রাম আঙ্গরপোতা হাসপাতালটির বেহাল দশা

news-image

রংপুর ব্যুরো : লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বহুল আলোচিত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির এখন বেহাল দশা। হাসপাতালটির বিশাল ভবন থাকলেও নেই তেমন চিকিৎসা সরঞ্জাম। কর্তব্যরত ডাক্তাররাও ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন না। ফলে এখানে বসবাসরত প্রায় ১৮হাজার নাগরিক সর্বদাই বঞ্চিত হচ্ছেন চিকিৎসা সেবা থেকে। হাসপাতালটিতে শুন্য পদ পূরন করে চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিত করার দাবি এখানকার মানুষদের।

১৯৯৫ সালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট দহগ্রাম আঙ্গরপোতা হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়। আর উদ্ধোধনের দিন থেকেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে বহুল কাংখিত এই হাসপাতালটির কার্যক্রম। হাসপাতালটির আন্ত:বিভাগ ও বর্হিবিভাগ থাকলেও মূলত আন্তবিভাগে কোন কাজ হয় না। আর বর্হিবিভাগে ডাক্তার সংকটসহ রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। কাগজে কলমে ডাক্তার , নার্স সবই থাকলেও কার্যত জনবল সংকটের মধ্যে দিয়ে চলছে ১৮ হাজার লোকের চিকিৎসা সেবা।
আন্ত:বিভাগ চালু না থাকায় হাসপাতালের অনেক মূল্যবান সরঞ্জাম অযতœ আর অবহেলায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালটিতে সেবার নামে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাইনবোর্ড দেখা গেলেও বাস্তবে তাদের দেখা মেলে না। সরকারের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান দহগ্রাম আঙ্গরপোতা হাসপাতালের রোগী ভর্তির ব্যবস্থা এবং সার্বক্ষনিক চিকিৎসক, নার্সসহ মানুষের চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিত করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের প্রায় ১৮ হাজার মানুষ।

দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, বাংলাদেশের একটি বিচ্ছিন্ন এলাকা হচ্ছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বহুল আলোচিত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা। কিন্তু এখানকার মানুষ অত্যন্ত অবহেলিত, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবায় মারাত্বকভাবে পিছিয়ে রয়েছে এখানকার মানুষ। ১০ শয্যঅ বিশিষ্ট হাসপাতাল থাকলেও এখানে বলা যায় , কোন ধরনের চিকিৎসেবা নেই। বাধ্য হয়ে হয়ে অসুস্থ রোগীদের পাটগ্রাম কিংবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ।

তিনি অবহেলিত এ জনপদের মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হক্ষক্ষেপ কামনা করেন। দহগ্রামের বাসিন্দা বাবুল মিয়া (৪৮) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে কোন ধরনের চিকিৎসা হয় না। হাসপাতালে এসে চিকিৎসকের অভাবে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেকে হয়ে উঠেন কিংকর্তব্য বিমূঢ়। বেশীর ভাগ মানুষই টাকার অভাবে যেতে পারেন না ক্লিনিকে। আবার কেউ কেউ বাধ্য হয়ে সময় ও অর্থ ব্যয় করে, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান চিকিৎসা নিতে।

লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কাশেম আলী জানান, হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসক ও স্টাফদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে কারন দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে। দহগ্রাম হাসপাতালটি পূর্ন হাসপাতাল রুপে চালু রাখতে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পত্র দিয়েছেন বলে জানান।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা