,

অর্থমন্ত্রী বললেন, ভ্যাট আদায়ে মেশিন বসানোর কথা রাখেননি এনবিআর চেয়ারম্যান

news-image

নিউজ ডেস্ক : নতুন আইনে ভ্যাট আদায়ের জন্য ইলেকট্রনিকস ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিন গত জুলাইয়ে বসানোর কথা থাকলেও এনবিআর চেয়ারম্যান তা রাখতে পারেননি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, আমি এনবিআর চেয়ারম্যানকে বিশ্বাস করেছিলাম। শপথ নিয়ে প্রথমেই এ বিষয়ে কথা বলেছিলাম। তিনি সেদিনই বলেছিলেন, জুলাইয়ের প্রথমেই মেশিনগুলো সরবরাহ করবেন। কিন্তু আনফরচুনেটলি তিনি মেশিনগুলো সরবরাহ করতে পারেননি।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির একটি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। বৈঠকটি তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগমও উপস্থিত ছিলেন।

রাজস্ব আদায় নিয়ে কোনো চিন্তার বিষয় আছে কি-না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আয়কর খাতে রাজস্ব অনেক বেড়েছে। ট্যাক্স রেভিনিউ কম আছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটা আমরা পূরণ করতে পারব। বছরের শেষে আমরা রাজস্ব আদায়ে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে, সেটা অর্জন করতে পারব।

গত তিন মাসে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ভালো না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধিটা বেশি হচ্ছে না। তবে সেটা হবে। রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধির মূল জায়গা হচ্ছে ভ্যাট। কিন্তু ভ্যাট আদায়ের জন্য আমরা এখনও ইলেকট্রনিকস ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিনই বসাতে পারিনি। মেশিন বসালে আমরা জনবল দিতাম। তারপর ভ্যাট আদায় করতাম। আমাকে কিন্তু জানানো হয়েছে জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে মেশিনগুলো সরবরাহ করা হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলো এখনও আমরা মেশিনগুলো পাইনি। আমি আসা করি এখন মেশিন আসবে, বসবে। এনবিআর চেয়ারম্যান সাহেব বলেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই মেশিন সরবরাহ করা হবে।

ডিসেম্বরে হলে অর্থবছরের ছয় মাস পার হয়ে যাবে। এরপর এ ক্ষতি পূরণ করা কী সম্ভব- এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, ছয় মাস চলে যাবে, এটা আমিও জানি, আপনিও জানেন। কিন্তু আমি তো উনাকে (এনবিআর চেয়ারম্যান) বিশ্বাস করেছিলাম। শপথ নিয়ে প্রথমই এ বিষয়ে কথা বলেছিলাম। তিনি সেদিনই বলেছিলেন জুলাইয়ের প্রথমেই মেশিনগুলো সরবরাহ করবেন। কিন্তু করতে পারেননি।

এনবিআর চেয়ারম্যানের না পারাটা আপনার না পারা হিসেবে গণ্য হবে কি-না, মন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি অস্বীকার করছি না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ লস করেছে। বাংলাদেশ এ ব্যাপারে অনেক ক্ষেত্রেই লস করেছে।

ইলেকট্রনিকস ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) কেনো বসাতে পারছেন না, এটা কী একটু খতিয়ে দেখবেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা আমি জানি। খতিয়ে দেখেন আপনারা। আমি তো জেনেই গেছি। আর খতিয়ে দেখব কেন। হতাশাজনক কোনোকিছু বাংলাদেশে নেই। বছর শেষে প্রত্যেকটা খাতেই সফলতার স্বাক্ষর থাকবে। প্রথম ছয় মাসে রাজস্বে যতটা লস করব, পরের ছয় মাসে এটা আদায় করে নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা