,

হঠাৎ ৭ স্কুল পরিদর্শনে ডিসি, হতাশ হয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস

news-image

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রোববার হঠাৎ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. জোহর আলী। তবে পরিদর্শনে গিয়ে হতাশ হয়েছেন তিনি। পরে রাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন জেলা প্রশাসক।

রবিবার দিবাগত রাত ১২টা ১৮ মিনিটে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘ঝালকাঠির ৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে খুবই মর্মাহত হই। একটি দাখিল মাদরাসার ২টি শ্রেণিতে একজন করে, একটিতে চারজন, একটিতে ছয়জন, একটিতে সাতজন এবং একটি শ্রেণিতে কোনো ছাত্রছাত্রী উপস্থিত পাওয়া গেলো না।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘চারজন শিক্ষকের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে মোট ছাত্রছাত্রী ৭২ জন। অন্য আর একটি স্কুলের অবস্থাও একই রকম। একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবস্থাও ভালো কিছু পেলাম না। ক্লাসের সময়ে ক্লাসে শিক্ষক না থাকায় ছাত্ররা বাইরে ঘোরাঘুরিতে ব্যস্ত। একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে প্রধান শিক্ষককে পাওয়া গেলো না। শুনলাম তিনি কেনাকাটা করতে বরিশালে গেছেন। শিক্ষা অফিসার জানালেন তিনি কারও কাছ থেকে কোনো ছুটি/অনুমতি নেননি।’

জেলা প্রশাসক আরও লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জনগণের লাখ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। অথচ শিক্ষার হাল হলো এই। কী আর করা! দেখা যাক সকলে মিলে এর কিছুটা উন্নতি করা যায় কি-না?’ (পরিমার্জিত)

তার ওই স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্টে ঝালকাঠি নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর (Ahmed Abu Jafor) লিখেছেন, ‘সরকারি বালক এবং বালিকা বিদ্যালয় দুটির প্রতি কঠোর নজরদারি দরকার। ক্লাশ হয় না, কোচিং হয়। যারা কোচিং করে না তারা স্কুলে যায় না।

রাজাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান কমেন্ট করেন, ‘এদের পাবেন উপজেলা পরিষদের চত্বরে তৈলমর্দনে…।’

শহিদুল ইসলাম পলাশ নামের একজন লিখেছেন, ‘জেলার মফস্বলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা আরও করুণ। আশা করি আপনি জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত রাখবেন।’

ঝালকাঠি সরকারি কলেজের শিক্ষক মো. আব্দুল ওয়াদুদ জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানিয়ে কমেন্ট করেছেন, ‘এ ধরনের পরিদর্শন চলমান থাকুক এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন, স্যার।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক রোববার রাজাপুর উপজেলার আঙ্গারিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জীবনদাসকাঠি দাখিল মাদরাসা, জীবনদাসকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোট কৈবর্তখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী ওই ৭টি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরে জেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই ৭টি প্রতিষ্ঠান প্রধানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা