,

পুলিশ কেন, ফেরেশতা নেমে আসলেও আইন প্রয়োগ সম্ভব নয়

news-image

শতকরা ৯৮ শতাংশ মানুষই যদি আইন না মানে তাহলে পুলিশ কেন, ফেরেশতা নেমে এলেও আইন প্রয়োগ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন তাই আমাদের সবার মধ্যেই আইন মানার সংস্কৃতি চালু করতে হবে।

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে শনিবার (৩১ আগস্ট) ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে এখনও হাত উঁচিয়ে গাড়ি চলাচলে সিগনাল দেওয়া হয়। আমরা এখনও এই সিগনাল ব্যবস্থাটাকে ডিজিটাল করতে পারলাম না। বেশিরভাগ মানুষ অপরাধ করলে পুলিশের দ্বারা আইন প্রয়োগ অসম্ভব।

তিনি বলেন, চালকরা মোবাইলে কথা বলার সময় গাড়ি চালাবেন। পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে গাড়ির সামনে লাফ দিয়ে রাস্তা পারাপার হবেন। শতকরা ৯৮ শতাংশ মানুষই যদি আইন না মানে তাহলে পুলিশ কেন, ফেরেশতা নেমে এলেও আইন প্রয়োগ সম্ভব নয়। তাই আমাদের সবার মধ্যেই আইন মানার সংস্কৃতি চালু করতে হবে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ডিএমপি কমিশনার হিসেবে আমি গত পৌনে পাঁচ বছরে বাস মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বার বার বসেছি। বেশকিছু সমস্যা চিহ্নিত করে আমরা সেগুলো থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজেছি। কিন্তু এর সঙ্গে বাস মালিক-শ্রমিক এবং পুলিশের বাইরেও সিটি করপোরেশন, ওয়াসাসহ অনেকগুলো সংস্থা জড়িত। সেসব সংস্থার সমন্বয়ের অভাবে আমরা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাইনি।

তিনি বলেন, বাস বেশি না থাকার কারণে গাড়িগুলো রাস্তায় দাঁড়িয়েই যাত্রী উঠানামা করছে। এক্ষেত্রে হাজারো জরিমানা করে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ ১৬৭টা বাসস্ট্যান্ড চিহ্নিত করেছে। ফুটপাত দিয়ে যেন মোটরসাইকেল চলাচল করতে না পারে সেজন্য মেটাল পিলার স্থাপন করেছে। অথচ এগুলো ডিএমপির কাজ না হওয়া সত্ত্বেও নিজ অর্থায়নে ডিএমপি করেছে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বিভিন্ন অপরাধে গাড়ি চালকদের আমরা প্রচুর পরিমাণে জরিমানা করছি। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ যেন রাজস্ব আদায়ের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। গাড়ির মালিক-শ্রমিকদের মনে রাখতে হবে এটা শুধু ব্যবসা নয়, সেবা। যত্রতত্র গাড়ি না থামানো, গাড়ির দরজা বন্ধ রাখা, বিনা কারণে হর্ন না বাজানো, শুধু আন্তরিক হলেই এসব মেনে চলা যায়। আমরা সহযোগিতা করবো। কিন্তু মূল উদ্যোগটা মালিক-শ্রমিকদেরই নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একটা দুর্ঘটনা হয় আর একটা আন্দোলন হয়। সড়ক নিরাপদ না করা গেলে জনগণের এই ক্ষোভ দমানো সম্ভব নয়। আর এই রোশানল থেকে কেউই রেহাই পাবে না। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ফুটেজ দেখে যদি পথচারীর গাফিলতি পাওয়া যায়, তাহলে চালকের পাশাপাশি সেই দায় পথচারীকেও নিতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা