,

হাসপাতালে মৃত সন্তান নিয়ে বন্দী ৩ দিন

news-image

নিউজ ডেস্ক।। স্ত্রী প্রসব যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স ডাকারও উপায় নেই। আবার অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য সব গাড়ি চলাচলও বন্ধ। ইন্টারনেট ব্যবস্থা বন্ধ। উপায় না দেখে স্ত্রীকে কোলে করে কোনোরকমে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন বিলাল মান্ডু। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। বাঁচানো যায়নি বিলাল ও রাজিয়ার সন্তানকে। একটা কার্ডবোর্ডের বাক্সে নবজাতক শুয়ে। মৃত।

রাজিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে বিলাল শুধু্ একটাই কথা বলেছেন, ‘‌আল্লাহর ইচ্ছে। আমাদের হাতে নেই।’ দম বন্ধ হয়ে আসছিল তাঁদের। কিন্তু বেরবার উপায় নেই। মৃত শিশুকে নিয়েই থাকতে হলো তিন দিন। ৭২ ঘণ্টা পর অ্যাম্বুলেন্স এল তাঁদের বাড়ি পৌঁছে দিতে। কাশ্মীরের চেহারা এমনই।

এই ঘটনা শুধু বিলাল ও রাজিয়ার নয়। বিগত কয়েকদিনে হাজার হাজার উপত্যকাবাসীর জীবনে ঘটে গেছে এরকম অনেক ঘটনা। সংবাদমাধ্যমে বিলাল জানিয়েছে, ‘‌৮ আগস্ট ঘটনাটি ঘটে। কোনো অ্যাম্বুলেন্স পাইনি। কেউ যেতে রাজি হয়নি। প্রায় ১২ ঘন্টা অপেক্ষা করেছিলাম। বাধ্য হয়ে ১৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে কুপওয়ারা জেলা হাসপাতালে যাই। সেখানে একরকম প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। তারপর সেখান থেকে লাল ডেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আমাদের সন্তানকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’ ‌ সূত্র : আজকাল

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর