,

লক্ষাধিক টাকার চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫০০ টাকায়

news-image

নিউজ ডেস্ক।। গত বছরের তুলনায় এ বছর চামড়ার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। অনেকেই চামড়া বিক্রি করতে না পেরে স্থানীয় মসজিদ-মাদরাসায় দান করে দিচ্ছেন। লক্ষাধিক টাকা দামের গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র দুইশ থেকে পাঁচশ টাকায়। ছোট গরুর চামড়ার কেউ দামই করছেন না।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এখন চামড়া ভালো আছে, রাতে এ চামড়ার মান নষ্ট হয়ে যাবে। তখন আরো দাম কমে যাবে। এমন আশঙ্কার পাশাপাশি সঠিক নিয়মে চামড়া সংরক্ষণ না করার কারণে এবছরও ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাঁচা চামড়া নষ্ট হয়ে যাবে বলে জানান তারা।

কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদরে সংগঠন বাংলাদশে হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. হাজী দেলোয়ার হোসনে সাংবাদিকদের বলেন, এবার মৌসুমী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সব চামড়া কেনা সম্ভব হবে না। এ ছাড়া চামড়া কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকাও ব্যবসায়ীদের কাছে নেই। এ কারণে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের লবণ দিয়ে চামড়া রাখার মতো ক্যাপাসিটি থাকলেই তাদের চামড়া কেনার পরামর্শ দিচ্ছি।

তিনি বলেন, সব মিলিয়ে এবছর চামড়াখাতে ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে। ট্যানারি মালিকরা সাড়ে তিনশ কোটি টাকার বেশি বকেয়া রেখেছেন। অন্যান্য ঈদের সময় ১০ থেকে ২০ শতাংশ নগদ টাকা দিলেও এবার সেখানে হাতেগোনা কয়েকজন টাকা পেয়েছেন। ব্যবসায়ীরা টাকা না পেলে চামড়া কিনবেন কিভাবে। ফলে অনেক চামড়া নষ্ট হয়ে যাবে। যারা টাকা পেয়েছেন তারা চামড়া কিনছেন। তাই এবছর আমাদের ২৪৫ জন আড়তদারের মধ্যে মাত্র ২০ থেকে ৩০ জন আড়তদার চামড়া কিনতে পারছেন।

তিনি আরো বলেন, এখাত দিনদিন নিন্মমুখী হচ্ছে। এজন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালাসহ ট্যানারি মালিকদের জমি দ্রুত রেজিস্ট্রি করে দিতে হবে। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা আগে থেকেই এবারের চামড়ার বাজার খারাপ যাওয়ার কথা বলেছি। আমরা সাধারণত মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরাসরি চামড়া কিনি না। লবণ দেওয়ার পর কিনে থাকি।

তিনি বলেন, চামড়ার পুরো বাজার নির্ভর করছে রফতানির ওপর। আগের চেয়ে রফতানি কমে গেছে। ফলে চামড়া সংগ্রহও আমাদের কমাতে হয়েছে। এছাড়া এবার ট্যানারি ব্যবসায়ীদের অনেকেই আগের বছরের চামড়া বিক্রি করে শেষ করতে পারেনি। আর অর্থের সংকট তো আছেই।

পোস্তার আড়তদার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি ৩০ বছর ধরে চামড়ার ব্যবসা করি। এবারের মতো দরপতন কোনোদিন দেখিনি। এবার চামড়া কম দামে কিনেও ঝুঁকিতে আছি। এখনো কোনো ট্যানারি যোগাযোগ করেনি। আশা করছি, আগামী রবিবার (১৮ আগস্ট) থেকে চামড়া নেওয়া শুরু করবেন ট্যানারি মালিকরা।

উল্লেখ্য, এ বছর গরুর কাঁচা চামড়ার দাম ঢাকায় প্রতি বর্গফুট ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। সারা দেশে খাসির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৩ থেকে ১৫ টাকা। উৎস: কালের কণ্ঠ।

এ জাতীয় আরও খবর

প্রোপাগান্ডাকে অভিযোগ হিসেবে নেওয়ায় দুদকের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নাহিদের

অডিও ফাস: ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি প্রত্যাহার

এসআই আলতাফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে আইনজীবী আবুল বাশার

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড