,

কাশ্মীর নিয়ে মোদীর সিদ্ধান্ত আদালতে আটকে যেতে পারে

news-image

অনলাইন ডেস্ক : সম্প্রতি কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করেছে ভারত। ক্ষমতাসীন মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে রাজ্য থেকে পরিণত করেছে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে।

এরপর উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে কাশ্মীরজুড়ে গণগ্রেফতার শুরু করেছে মোদী সরকার। সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ দুই দিনে সেখানে গ্রেফতার করা হয়েছে ৪ শতাধিক মানুষকে।

এদিকে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলে, আবারও রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেতে পারে কাশ্মীর। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সিদ্ধান্ত আদালতে বাধার মুখে পড়তে পারে।
অন্যদিকে, প্রয়োজনে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

কাশ্মীরের অলিগলিতেও সেনা টহল চলছে গণগ্রেফতার। এতে বিচ্ছিন্নভাবে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে প্রতিবাদমুখর কাশ্মীরিরা।

নূন্যতম প্রতিবাদ করারও সাহসটুকু কেড়ে নেওয়া হয়েছে কাশ্মীরিদের। তারপরও সেনা টহল উপেক্ষা করে বিজেপি সরকারের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা বিক্ষোভ করছেন।

ভারতের গণমাধ্যম জানায়, সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও দুদিনে এ পর্যন্ত কারাগারে মানবাধিকারকর্মীসহ অন্তত ৪শ’ কাশ্মীরী। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা ছিল খোদ লোকসভাতেও। বিরোধীদের তোপের মুখে এ বিষয়ে মুখ খোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এবং লোকসভার বর্তমান এমপি ফারুক আবদুল্লাহর অভিযোগ তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বিজেপি সরকারকে সমর্থন জানালেও ভারতের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে চীন। কাশ্মীরে ধরপাকড় ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার রুপার্ট কলভাইল বলেন, যেভাবে টেলিযোগাযোগ বন্ধ রেখে, নেতাদের আটক ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে, এতে আমাদের আশঙ্কা কাশ্মীরে চরম আকারে মানবাধিকার লঙ্ঘন চলছে।

এমন পরিস্থিতিতে, পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সতর্ক করেছেন কাশ্মীরে জাতিগত নিধন চালাতে পারে ভারত।

ইমরান খান বলেন, কাশ্মীরের জনমিতি পাল্টে দিতে চায় মোদি সরকার। কাশ্মীরিদের ওপর আর কোনও নিপীড়ন মেনে নেবে না পাকিস্তান। এতে যদি ভারত আমাদের ওপরও হামলার চেষ্টা করে তবে কঠিন জবাব দেওয়া হবে। যুদ্ধ লেগে যাবে।

এদিকে, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রিট করেছেন এক আইনজীবী। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতে বাধার মুখে পড়তে পারে মোদীর সিদ্ধান্ত।

ভারতের সংবিধান বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় কুমার সিং বলেন, ৩৭০ অধ্যাদেশ ছিল, কাশ্মীরের সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সেতুবন্ধন। এটি বিশ্ববাসীকে স্পষ্ট করেছিল ভারত প্রকৃতই গণতান্ত্রিক দেশ। কোনও পুলিশি বা স্বৈরাচারী রাষ্ট্র নয়। রাষ্ট্র আদৌ এভাবে রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নিতে পারে কী? এটা আইনের অবমাননা কী না-তা একটি মৌলিক প্রশ্ন। আমার মনে হয়, আদালত নেতিবাচক উত্তরই দেবেন।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি, পরিস্থিতি উন্নতি হলে ফের রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেতে পারে কাশ্মীর। টুইটারে মোদির দাবি, একে স্বাগত জানিয়েছে কাশ্মীরবাসী।

ভারতের বিরোধীদল কংগ্রেস বলেছে, কাশ্মীর ইস্যুতে একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কোনও সরকার।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা