,

পদ্মার ক্যানেলে আটকে পড়া কুমির উদ্ধারে বিশেষ টিমের অভিযান চলছে

news-image

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার পদ্মা নদীর ক্যানেলে আটকে পড়া কুমির উদ্ধারে বিশেষ টিমের অভিযান চলছে। তবে শতাধিক মানুষের প্রচেষ্টা ও জাল টেনেও গত ২৪ ঘণ্টায় দেখা মেলেনি পাবনা সদর উপজেলার চরকোমরপুরে পদ্মা নদীর ক্যানেলে আটকে পড়া কুমিরটির।

সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ও পরে মঙ্গলবার ভোর থেকে কয়েক দফা জাল ফেলে কুমিরটিকে ধরার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সেটিকে ধরা সম্ভব হয়নি। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরাসহ আশপাশের সবাই।

পাবনার বিভাগীয় বন কর্মকতা মাহবুবুর রহমান জানান, গত বর্ষার কোনো এক সময় চরকোমরপুরে পদ্মা নদীর ক্যানেলে এসে আটকা পড়ে ৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা একটি কুমির। মাস খানেক আগে স্থানীয় জেলেরা মাছ শিকার করতে গিয়ে কুমিরটিকে দেখতে পায়। কুমিরের হামলায় আহত হয় বেশ কয়েকজন জেলে। এতে আতঙ্ক দেখা দেয় স্থানীয়দের মধ্যে। এরপর দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ প্রতিদিনই ভিড় জমাতে থাকে কুমির দেখতে। সেই সঙ্গে স্থানীয়রা কুমিরটিকে উদ্ধারের দাবি জানায়। পরে রাজশাহী বিভাগীয় বণ্যপ্রাণি সংরক্ষণ বিভাগকে কুমির উদ্ধারের জন্য চিঠি দেয় পাবনার সামাজিক বন বিভাগ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকালে চরকোমরপুর পদ্মা নদীর ক্যানেলে কুমির উদ্ধারের অভিযানে নামে রাজশাহী ও ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল।

তিনি আরও জানান, তারা সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কয়েক দফায় দুটি জাল একদিকে ফেলে আরেকদিকে টেনে তুললেও কুমিরটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে সোমবার রাতেই আবার বৈঠকে বসে মঙ্গলবারের অভিযান পরিচালনাসহ পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উদ্ধার অভিযানের সময় বণ্যপ্রাণি সংরক্ষণ বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, সামাজিক বন বিভাগ পাবনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, আইইউসিএন ঢাকার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে একটি দল, কুমির বিশেষজ্ঞ মোস্তাক আহমেদ ও আদনান আহমেদ, পাবনা পুলিশের ১২ সদস্য বিশিষ্ট টিম ও দোগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপস্থিত রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে অভিযান চললেও কুমিরটি ধরা পড়েনি। কিন্তু বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ ধরা পড়েছে।

হারেজ আলী নামে এক জেলে বলেন, ১০-১২ দিন আগে আমার ওপর কুমিরটি হামলা করেছিল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি। তার পর থেকে মাছ ধরা বন্ধ। এখন আবার কুমিরটি খুঁজে না পাওয়ায় আমরা আরও ভয় পাচ্ছি।

পাবনা সদর উপজেলার চরকোমরপুর গ্রামের ছোলেমান খান জানান, এক সময় পদ্মার যে শাখা খালটি মাছ ধরা থেকে শুরু করে, কাপড় কাচা, বাসন মাজাসহ বিভিন্ন কাজে এলাকাবাসী ব্যবহার করতো, সেই খালে এখন কুমির। এর ফলে খালের সব কাজই বন্ধ হয়ে গেছে।

পাবনার জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আটকে পড়া কুমিরটি নিয়ে বেশ বিপদে ছিলাম। উদ্ধারকারীদল আজ না হয় কাল অবশ্যই কুমিরটি ধরতে পারবে। পরে কুমিরটি সংশ্লিষ্টদেও কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এসময় ক্যানেলে আটকে থাকা কুমিরটির কোন ক্ষতি না হওয়ায় এলাকাবাসীর প্রশংসা করেন তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর