রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভালোবাসা দিবস অপছন্দের কিছু কারণ!

news-image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আর কয়েকটা দিন পরেই ভালোবাসা দিবস। অনেকে দিবসটি জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সবাই কিন্তু প্রস্তুতি নিচ্ছেন না। অনেকে দিবসটি পালন নিয়ে বেশ বিরক্তও।

তাদের বিরক্তির পেছনে যে যৌক্তিক কোনো কারণ নেই তা কিন্তু নয়। ভালোবাসা দিবসে বিশ্বাস না থাকা ছয়জনের সঙ্গে কথা বলেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। কালের কণ্ঠ অনলাইনের পাঠকদের জন্য সেগুলো তুলে ধরা হলো।

ব্যবসা-বাণিজ্যের একটা কৌশল দিবসটি

ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ১৪ তারিখের মধ্যে প্রেমিকজুটির কী হয় আমি বুঝি না? ফুল, টেডি, কার্ড অথবা অন্য যে কোনো কিছুই তো বছরের যে কোনো সময় তারা একে অন্যকে দিতে পারে। কেন ওইসব দিনেই দিতে হবে?

যারা মনে করেন ভালোবাসা সপ্তাহ কেবল উপহার দেওয়া-নেওয়া করে, বাইরে খাবারের পরিকল্পনা করে অথবা ডেটিংয়ে গিয়ে উদযাপন করতে হয়; একটা বিষয় তারা বুঝতে পারেন না যে, বাণিজ্যের কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয় এগুলো। ভালোবাসার নামে প্রচুর টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠান। এই ফাঁদে অন্তত আমি পড়িনি।

উপলক্ষ লাগে না ভালোবাসতে

আমার কোনো বিশেষ দিবসের প্রয়োজন হয় না কারো প্রতি আমার যে ভালোবাসা রয়েছে সেটা দেখাতে। আমার কোনো দিবসের প্রয়োজন নেই ভালোবেসে কাউকে জড়িয়ে ধরতে, চুম্বন করতে অথবা ভালোবাসি কথাটি জানাতে।

ইচ্ছা হলেই আমি এসব করতে পারি। বিশেষ দিনে এসব বলতে ভালো লাগে না। ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে চোখ খুলেই আমি আমার সঙ্গীকে চুম্বন করবো এটা তো ভাবতেই পারি না! কেন করতে হবে?

কেউ আমাকে বলে দেবে আর তার কথামতো আমার সঙ্গীকে আদর করতে হবে! এগুলো একেবারেই বোকার মতো কথাবার্তা।

চাপ ছাড়া কিছুই নয়

একজনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে আমার। সে এসব পছন্দ করে। তবে বছরের এই সময়ে আমি খুব চাপে থাকি। সে কারণে ওকে নিয়ে ঘোরা, উপহার দেওয়াটা আমার কাছে বাড়তি চাপের। সেটা ওকে বলতেও পারি না আবার চাপও নিতে ভালো লাগে না। আমার কাছে দিবস পালন মিথ্যা মনে হয়। কেবল চাপটাই অনুভব করি।

বিরক্তি লাগে ফেসবুকে ঢুকতে

ত্রিশের কাছাকাছি আমার বয়স। এমনিতেই সবসময় আমার নিউজ ফিড বন্ধুদের আংটি বদল, বিয়ে বা বাচ্চা হওয়ার ছবিতে ভরপুর থাকে। এমনিতেই সেটা একটু বিরক্তিকর।

আর এখনকার দিনে প্রায়ই দেখা যায়, কেউ না কেউ একটা পোস্ট দিয়েছেন ‘ফিলিং লাভড’। কারণ- তার সঙ্গী তাকে হয়তো একটা গোলাপ দিয়েছে। এটা আমাকে খুব বিরক্ত করে। সপ্তাহের দিনগুলো যেতে থাকে আমার তো মনে হয় যন্ত্রণাও তত বাড়তে থাকে।

ইমোশন বেশি তার

এই সময়টাতে আমার ছেলে বন্ধু বেশি আবেগী হয়ে যায়। সে বিচিত্র রকমের ওয়াদা করে আর চায় যে আমিও যেনো সেসব করি।

আমাকে হৃদয় আকৃতির চকলেট দেয়, ভালোবাসি, ভালোবাসি বলে। আমি ওর বিষয়টা বুঝি, সেটার প্রশংসাও করি, কিন্তু ও বুঝতে চায় না যে আমি অমন ‘লুতু-পুতু’ ধরনের প্রেমিকা নই।

আর ওর এসব কাজের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে পরে আমার নিজেকে খুব দোষী মনে হয়। সে কারণে দিবসটা আমার পছন্দের না।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি

সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি

চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ প্রবাসে ডলি সায়ন্তনীর আবেগঘন বার্তা

গাজীপুর সিটির নতুন বাজেট ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকা

বিদেশে ৮১ বাংলাদেশি মিশনে হবে ‘জুট কর্নার’

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে যাবে ইসি

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জেলা-উপজেলায় হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’

প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ