,

বাংলাদেশকে কান্নার নদী বানিয়ে এখন মায়াকান্না করছেন : কাদের

news-image

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে বিএনপি নেত্রী লন্ডনে চলে যান। আর আন্দোলন থাকলো তার ভ্যানিটি ব্যাগে।

এই বছর না সেই বছর, আন্দোলন হবে কোনো বছর। বিএনপির আন্দোলন মানে ‘মরা গাঙ্গে কখনো জোয়ার আসে না’ উল্লেখ করে বলেন, পেট্টোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা, গাড়ি পোড়ানো, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট ও গাছ ধংস করার আন্দোলনের সাথে বাংলার মানুষ আর নেই।
মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার শক্তিপুর নুরজাহান ভবন চত্বরে বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক ও সাবেক উপাচার্য প্রফেসর মযহারুল ইসলামের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আলোর পথে রয়েছে। আর বিএনপি মানে হাওয়া ভবনের দুর্নীতি ও লুটপাট, বিএনপি মানে অগ্নি সন্ত্রাস। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ আবারও অন্ধকারে পতিত হবে। বাংলার মানুষ আর বিএনপির অন্ধকারে আর যাবে না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কান্নাকে মায়া কান্না উল্লেখ করে বলেন, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের নেতাদের হত্যা ও ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছেন, কাঁদতে কাঁদতে আমাদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে কান্নার ও খুনির নদী বানিয়ে এখন মায়াকান্না করছেন।

বিএনপিকে তিনি অন্ধকারের দল, মানুষ খুন ও আগুন সন্ত্রাসের উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা দেশকে আলোতে নিয়ে এসেছে। মানুষ আর বিএনপির অন্ধকারে ফিরে যাবে না।
শেখ হাসিনাকে মানবতার নেত্রী উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, মহান আল্লাহপাক বঙ্গবন্ধুকে সৃষ্টি করেছেন বাংলার স্বাধীনতার জন্য, আর শেখ হাসিনাকে সৃষ্টি করেছেন মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য। শেখ হাসিনা এখন সারা বিশ্বের বিস্ময়। সোয়া ৬ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও খাদ্য দিয়ে তিনি উদারতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের তা চোখে পড়ে না।

খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, ফটোসেশনের জন্য তিনি (খালেদা জিয়া) একবার বিশাল গাড়িবহর নিয়ে কক্সবাজার গিয়ে শো-ডাউন করেছেন। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। তার দলের মহাসচিবও একবার গিয়েছিলেন। অথচ আমি ২৫ দিন রোহিঙ্গাদের পাশে ছিলাম। কোনটা মন থেকে আর কোনটা লোক দেখানো তা মানুষ বোঝে।

দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের ভেতরে প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে সেটা যেন অসুস্থ না হয়। যারা উন্নয়ন করবেন আর সকলের সাথে ভাল আচরণ করবেন আগামী নির্বাচনে তাদেরকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের কাছে টেনে নিন। দলে অনুপ্রবেশকারী আগাছাদের ঠাঁই দিবেন না। দল ক্ষমতায় না থাকলে ৫ হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য প্রফেসর আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহম্মেদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, মেরিনা ইসলাম কবিতা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি, হাসিবুর রহমান স্বপন এমপি ও সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সাবেক প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এমপি, তানভীর ইমাম এমপি, সাবেক এমপি চয়ন ইসলাম, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিনসহ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা