,

মিয়ানমারের জেনারেলদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগ

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিপক্ষে সোচ্ছার ছিলো পশ্চিমা বিশ্ব। বারবার রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত জাতিগত নিধন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ থামানোর আহ্বান জানিয়েছিলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র।

কিন্তু কোনোভাবেই গণহত্যা না থামানোয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকেই মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে পশ্চিমা দেশগুলো। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের জন্য সেখানকার উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের উপর শাস্তি হিসেবে নিষেধাজ্ঞার কথা চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে বিবিসি।

অন্যদিকে ওয়াশিংটন, ইয়াঙ্গুন ও ইউরোপের ১২ জনের বেশি ইয়াঙ্গুনভিত্তিক কূটনীতিকরা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, আলোচনার দ্বার খোলা রাখার জন্য প্রথম পর্যায়ে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ প্রতীকী হতে পারে।

গত বছরই ব্রাসেলস, বার্লিন ও ভিয়েনা সফর করেছিলেন মিয়ানমারের সামরিকে কর্মকর্তারা। এই নিষেধাজ্ঞা জারি হলে মিয়ানমারের সামরিক কর্তাদের পরবর্তী ইউরোপ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন এই কূটনীতিকরা।

ইয়াঙ্গুনে নিয়োজিত এক জ্যেষ্ঠ ইউরোপিয়ান কূটনীতিক বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এই সংকট মোকাবেলা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। তারা এ বিষয়ে একমত যে, সমস্যার মূলে সেনাবাহিনী এবং বিশেষত কমান্ডার ইন চিফ, যেকোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপে যাকে টার্গেট করা দরকার।

মিয়ানমারের জেনারেলদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ১৬ অক্টোবর বৈঠকে বসবেন। যদিও তারা মনে করছেন না খুব শিগগির নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নেদারল্যান্ডসের উন্নয়ন করপোরেশনবিষয়ক মন্ত্রী উলা টরনায়েস রয়টার্সকে বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওরপ আরও চাপ প্রয়োগ করতে’ কোপেনহেগেন বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে আনার চেষ্টা করছে।

অন্য দিকে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সূচীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। জান্তাদের সাথে তার সখ্যতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সোরগোল চলছে।

বিবিসি বলছে, গত এক মাসে রাখাইনের মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার পর পশ্চিমা নীতিনির্ধারকেরা এখন তাদের উপর কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য চাপের মুখে রয়েছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাউন্সিল সামনের সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করবে। তবে এখনই কোন ধরনের শাস্তি প্রতীকী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট