সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চতুর্থ ধরনের চকোলেট আবিষ্কার

news-image

অনলাইন ডেস্ক : চকোলেট খেতে ভালোবাসেন যারা তাদের জন্য সুখবর। বিজ্ঞানীরা নতুন ধরনের একটি চকোলেট আবিষ্কার করেছেন। না, এটা বিদ্যমান তিন ধরনের চকোলেট- ডার্ক, মিল্ক আর হোয়াইট চকোলেটের অভিনব কোনো ছদ্মবেশ নয়। এটা একেবারেই নতুন ধরনের চকোলেট। ৮০ বছর আগে হোয়াইট চকোলেট বাজারে আসার পর এটাই সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির চকোলেট।

এটা দেখতে অনেকটা গোলাপি। তবে কোনো রঙের ব্যবহারের কারণে এটি দেখতে এমন, তা কিন্তু নয়। রুবি নামের এই চকোলেট তৈরি হয়েছে রুবি কোকোয়া বিন থেকে। যাতে এই গোলাপি রঙ আছে।

এর স্বাদ অনেকটাই ফলের মতো এবং একটু টকও বটে। জুরিখ-ভিত্তিক কম্পানি ব্যারি কলেবট (Barry Callebaut) গত ১৩ বছর ধরে প্রচষ্টা চালিয়ে এই নতুন চকোলেটটি আবিষ্কার করেছে।

এক সংবাদ মাধ্যমে তারা এই চকোলেটকে বর্ণনা করেছেন ‘এক তীব্র ইন্দ্রিয়ানুভূতিজাত আনন্দ’ উৎপাদক হিসেবে।
চলতি মাসের শুরুতে চীনের সাংহাইয়ে একটি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি জনসম্মুখে তুলে ধরা হয়। কিন্তু এখনো চকোলেটটি বাজারে ছাড়া হয়নি। তবে শিগগিরই হয়তো চকোলেটটি কনফেকশনারিতে পাওয়া যাবে।

চকোলেটটির কম্পোজিশন এখনো রহস্যাবৃত রয়ে গেছে। ডার্ক চকোলেটে কোকোয়া থাকে উচ্চহারে। কিন্তু দুধ থাকে কম। হোয়াইট চকোলেট হলো ডার্ক চকোলেটের বিপরীত। মিল্ক চকোলেট এই দুটোর মাঝামাঝি কোনো একটি স্থানে অবস্থান করে।

কিন্তু নতুন এই রুবি চকোলেটটি আসলে কেমন? অনেকে দাবি করেছেন এটি শুধু রুবি কোকোয়া বিন ব্যবহার করেই তৈরি করা হয়েছে। তবে এটি দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও হয়তো তেমনই হবে আশা করা যায়।

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা