,

স্পেনের পাশে থাকার ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :থেরেসা মেস্পেনের বার্সেলোনা এবং ক্যামব্রিলসে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় দেশটির জনগণের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। শুক্রবার তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে স্পেনের সঙ্গে রয়েছে।’ ওই দুই হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৮০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় লন্ডনের ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

বার্সেলোনা হামলার পর বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বিবৃতিতে বলা হয়, বার্সেলোনায় আজকের প্রাণহানির ঘটনায় আমি অনুভূতিহীন বোধ করছি। এই আতঙ্কজনক ঘটনায় কোন ব্রিটিশ নাগরিক জড়িত ছি কিনা তা খুঁজে বের করতে আমাদের পররাষ্ট্র দফতর কাজ করে যাচ্ছে। স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।

১৭ আগস্ট ২০১৭ বৃহস্পতিবার দুপুরে বার্সেলোনার লাস রামব্লাসে পথচারীদের ভিড়ে ভ্যান উঠিয়ে দিলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলার পর গাড়িচালক গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটে পালিয়ে যায়।

হামলার পর পর পুলিশ প্রথমে সন্দেহভাজন হামলাকারী হিসেবে দ্রিস ওকাবিরের নাম ও ছবি প্রকাশ করে। মরোক্কান বংশোদ্ভূত ২৮ বছর বয়সী ওই তরুণ স্পেনের মার্সেই শহরে বাস করতেন। স্পেনের সংবাদমাধ্যমগুলোতে দাবি করা হয়, হামলায় ব্যবহৃত সাদা রঙের ফিয়াট গাড়িটি দ্রিস ওকাবির ভাড়া নিয়েছিলেন। বার্সেলোনা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের একটি শহরের রেন্ট-এ-কার থেকে গাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন খবরে বলা হয়, ওকাবির অনলাইন ও মিডিয়ায় সন্দেহভাজন হিসেবে নিজের ছবি দেখে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি বলেছেন, হামলার আগেই তার পরিচয়পত্র চুরি হয়ে যায় এবং তিনি এ হামলার সঙ্গে জড়িত নন। পরে কাতালোনিয়ার রিপোল শহরের পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পুলিশের সদস্য জোসেফ লুইস ট্রাপেরো বলেন, যে গাড়িচালককে খোঁজা হচ্ছে দ্রিস ওকাবির সেই গাড়িচালক নন। পরে গাড়ি হামলার ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন মুসা ওকাবির পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে।

এ হামলার পর ক্যামব্রিলসের কাছে আরেকটি হামলার চেষ্টা করা হলে সেখানে পুলিশের গুলিতে মোট ৫ ব্যক্তি নিহত হয়। এদিকে বার্সেলোনায় গাড়ি হামলায় নিহতদের স্মরণে বার্সেলোনা স্কয়ারে জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। সেখানে এক মিনিট নিরবতা পালন করে হতাহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তারা। স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ ও প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় ও কাতালানের স্থানীয় প্রেসিডেন্ট কার্লস পুইজেমোন্তও উপস্থিত ছিলেন। তারা তিনজনই হাজার হাজার মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। নীরবতা শেষেই করতালিতে মুখর হয়ে উঠে পুরো এলাকা। ‘আমরা ভীত নই’ বলে স্লোগান দিতে থাকে সবাই। লাস রাম্বলাসের হতাহতদের জন্য মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে দাঁড়ানো বড় শিক্ষা:অধরা খান

হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিকে ২৪০ রানে অলআউট আফগানিস্তান

চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে দুর্নীতিচক্র: সাইফুল হক

জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৬২

এমপি নজরুলের জামিন আবেদন ফের নাকচ

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, আয়াসসহ চারজন রিমান্ডে

দিল্লিতে ফের আটক শিক্ষার্থী নেত্রী নেহা বোরা

সমাজসেবায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন

ত্রিশালে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে সমীক্ষা

জনগণের অর্থ ব্যয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর