,

রায়ে অসন্তুষ্ট বিশ্বজিতের পরিবার

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : শরীয়তপুরের নড়িয়া সড়কের পাশে মশুরা গ্রাম। ওই গ্রামের ঘোষপাড়ায় বিশ্বজিতের পরিবারের বসবাস।

বসতঘরের পাশে উঠানের এক কোণে বিশ্বজিতের স্বজনরা তৈরি করেছে তার একটি প্রতিকৃতি। পাথরের তৈরি প্রতিকৃতিটি ঘিরেই তার মা কল্পনা রানি ও বাবা অনন্ত দাস বেঁচে আছেন। বিশ্বজিতের খেলার ব্যাট, ছবি, ব্যবহারের জিনিসের মধ্যেই খুঁজে ফেরেন তার স্মৃতি।
‘প্রকাশ্যে ১০-১২ জন মানুষ আমার ছেলেটাকে কুপিয়ে হত্যা করল। ছেলেটা বাঁচার জন্য কতইনা আকুতি করেছিল, পাষণ্ডরা দানবের মত কুপিয়ে ছেলেটিকে হত্যা করল। তাদের ছবি দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশনে প্রকাশিত হল। তারপরও তাদের মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করা হল? তাদের খালাস দিতে হল? এ রায় মানিনা পুনরায় বিচার দাবি করছি। ‘ কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন বাবা অনন্ত চন্দ্র দাস। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মা কল্পনা রানি দাসও কাঁদতে শুরু করেন।

রবিবার বিকেলে হাইকোর্টে রায় ঘোষণার পর তারা অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেন। অনন্ত দাস ও কল্পনা রানি বলেন, প্রায় পাঁচ বছর যাবৎ আমার ছেলে আমাকে মা বলে ডাকে না। মা হিসেবে এটা যে কত বেদনাদায়ক তা কি কেউ বোঝেনা। ওর মৃত্যুর পরের বছর আটজনের মৃত্যুদণ্ড ১৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা হল।

আসায় বুক বেধে ছিলাম অপরাধীদের শাস্তি হবে। কিন্তু এখন কি হল? তাদের সাজা কমল, খালাস পেল। আমরা এ রায় মানিনা। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের চাওয়া বিশ্বজিতের হত্যাকারীরা যেন পার না পায়।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধের মধ্যে বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়।

আলোচিত এই ঘটনার রায়ে আটজনকে ফাঁসি এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল। তার আপিলের রায় রোববার দিয়েছে হাই কোর্ট। উচ্চ আদালত মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত দুজনকে খালাস দিয়েছে, চারজনের সাজা কমিয়ে দিয়েছে যাবজ্জীবন। মৃত্যুদণ্ড বহাল আছে এখন শুধু দুজনের।

বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ১৩ আসামির মধ্যে যে দুজন আপিল করেছিলেন, তারা হাইকোর্টে খালাস পেয়েছেন। পলাতক থাকা বাকি ১১ জনের আগের সাজাই থাকছে।

এ জাতীয় আরও খবর

সংকট-দুর্যোগে প্রবাসে থেকেও জনগণের পাশে ছিলেন তারেক রহমান: রিজভী

কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, হতাহতের ঘটনা

ভারতে মন্দিরে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় নিহত ১৫

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হচ্ছে ক্যানসার শনাক্তকরণ

সমতা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বিশ্বে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় সরকার

নেত্রকোণায় মুখোশধারীদের গুলিতে যুবক আহত

বাগেরহাটে ভাড়া বাসা থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়াই চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট

এনবিআরের নিয়োগে ঢাকা বিভাগের ১২ জেলা বাদ দেওয়ার অভিযোগ

আইয়ুব বাচ্চুর যে স্বপ্ন পূরণ হয়নি

বাংলাদেশকে ২০০ রানও করতে দিল না জিম্বাবুয়ে

কলকাতার পূজামণ্ডপে পদদলন, প্রাণ গেল ১৯ জনের