,

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি আরো বাড়বে

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি আরো বাড়বে। বিশেষত ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন আর্থিক সূচকের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে মূলধন ঘাটতি আরো বাড়বে। সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচটি বাণিজ্যিক ও দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণে অনুষ্ঠিত সভায় এ আশঙ্কা করা হয়।

এসব ব্যাংকের চেয়ারম্যান-ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে সম্প্রতি ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৭ ব্যাংকের উদ্ধৃতি-ঘাটতি বিষয়ে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিন বছরের বিস্তারিত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে বলা হয়, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ৭ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ১৪ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়তুল্লাহ আল মামুন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি-ভরযুক্ত সম্পদের বিপরীতে বর্তমানে সংরক্ষিতব্য মূলধন পর্যাপ্ততা ১০ শতাংশ। ইতিমধ্যে ২০১৬-২০১৯ মেয়াদে ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নে মূলধন পর্যাপ্ততা ১০ শতাংশ হতে ধাপে ধাপে আগামী চার বছরে প্রতি বছর শূন্য দশমিক ৬২৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করে ২০১৯ সাল নাগাদ ১২ দশমিক ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। সে বিবেচনায় ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন আর্থিক সূচকের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে মূলধন ঘাটতি সামনের দিনগুলোতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আন্তর্জাতিক রীতি অনুয়ায়ী ব্যাংকিং ও ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোতে মূলধন পর্যাপ্ততাও বাড়াতে হবে। আর সেটি করতে গেলেই ভবিষ্যতে মূলধন ঘাটতি পড়বে।

তবে সরকারি ব্যাংকগুলোকে শতভাগ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারিখাতে ছেড়ে দিলে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়বে। সরকারের কাছ থেকে মূলধন সহায়তা নিতে হবে না।

সূত্র জানায়, জনতা ও অগ্রণী বাদে বাকি পাঁচটি ব্যাংকের ঝুঁকি ভরযুক্ত সম্পদ বিবেচনায় ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মূলধন ঘাটতি ১৪ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা। সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতিতে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। ব্যাংকটির ঘাটতির পরিমাণ সাত হাজার ৮৩ কোটি টাকা। সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ৪৭৫ কোটি টাকায় নেমেছে। বেসিকের ঘাটতি দুই হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ঘাটতি ৭৪৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে ডিসেম্বর শেষে সংরক্ষিত মূলধনের তুলনায় উদ্বৃত্ত রয়েছে অগ্রণী ব্যাংকের ৪৭ কোটি টাকা, বিডিবিএলের ৭৬১ কোটি টাকা ও জনতা ব্যাংকের ৭৩ কোটি টাকা।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা