,

চট্টগ্রামে এখনো ইংরেজি সাইন বোর্ড বহাল

news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : উচ্চ আদালত ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্দেশনা অমান্য করে এখনো ইংরেজি সাইন বোর্ড ব্যবহার করছেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সিটি কর্পোরেশন নির্দেশনা দেয়ার পর এই ব্যাপারে কোন তদারকি না করায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন মহল।

 

কর্পোরেশন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাইন বোর্ড থেকে বছরের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করার ব্যাপারে যতটা কঠোর ছিল ইংরেজি সাইন বোর্ড লিখার ক্ষেত্রে ততটা কঠোরতা দেখা যায়নি।

জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের দেয়া রায়ে দেশের সব সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার, গাড়ির নম্বরপ্লেট, সরকারি দপ্তরের নামফলক ইংরেজি ভাষা ব্যবহার বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়া হয়। একই বছরের ১৪ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়ে সকল সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডগুলোকে আদেশটি কার্যকর করতে বলা হয়। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের সেই আদেশটি তেমন কার্যকর হয়নি। এই ব্যাপারে কোন কঠোরতাও আরোপ করা হয়নি।

সবশেষ গত ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আরেকটি চিঠি দেয়া হয়। ওই চিঠিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে স্বল্পপ সময়ের মধ্যে ইংরেজি সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার বাংলায় রূপান্তরের উদ্যোগ আদেশ দেয়া হয়। ওই চিঠিতে উচ্চ আদালতের একটি রিটের আদেশের উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করা হয়, ‘হাইকোর্ট বিভাগের ১৬৯৬/২০১৪ নং রিট পিটিশন মামলায় দেয়া আদেশে দেশের সর্বত্র সকল সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার, গাড়ির নম্বর-প্লেট, সকল দপ্তরের নামফলক এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াতে ইংরেজি বিজ্ঞাপন ও মিশ্র ভাষার ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।’

সর্বশেষ ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি আসার পর নগরজুড়ে বিদ্যমান সাইনবোর্ডগুলোতে বাংলার পরিবর্তে ভিন্ন ভাষার ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা দেয়। সমালোচনা এড়াতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ৩০ দিনের মধ্যে বিদ্যমান সাইনবোর্ডগুলোকে বাংলায় প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয় চসিক। তবে ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৫ দিনেও এর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। যেসব সাইনবোর্ডে ইংরেজির ব্যবহার ছিল তা এখনো বহাল আছে।

বৃহস্পতিবার নগরীর জিইসি, প্রবর্ত্তক মোড়, চকবাজার, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, বিভিন্ হাসপাতাল, আবাসন কোম্পানি, বেসরকারি স্কুলকলেজ ও বাণিজ্যিক সাইনবোর্ডগুলোর বেশিরভাগই ইংরেজিতে লেখা। সদ্য বানানো কয়েকটি সাইন বোর্ডও ইংরেজিতে লিখা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব আবুল হোসেন বলেন, ‘সাইনবোর্ডে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে রাজস্ব শাখাকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। কেউ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা