,

স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সম্পর্ক ধরে রাখতে যা করবেন

news-image

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক :স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে ঝগড়া হলে অনেকেই ভাবেন, ‘আমার সঙ্গীটি যদি একটু অন্যরকম হতো, তাহলে হয়ত এমনটা হতো না, তাই না? কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়৷ তাই এক্ষেত্রে কী করণীয় জেনে নিন৷

প্রথমেই মনে মনে একটা ছবি আঁকুন, ভাবুন, আপনি আপনার স্বামী-স্ত্রী বা সঙ্গীর কাছ থেকে ঠিক কী আশা করেন…৷ কতটা সময় তাঁর সাথে কাটাতে চান বা অবসর সময়ে কী করতে ইচ্ছা করে আপনার৷ বাস্তবে এই মুহূর্তে সবগুলো ইচ্ছাপূরণ হয়ত সম্ভব নয়৷ কিন্তু আপনি যে এ সব বিষয় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করছেন, সেই ভাবনা বা উপলব্ধিই আপনার মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে৷

বন্ধুদের জন্যও কিছুটা সময় আলাদা করে রাখুন৷ এমন বন্ধু, যাদের সাথে আপনি গল্প করতে বা কিছুটা সময় কাটতে পারেন৷ এমনটা করলে তা নিঃসন্দেহে পার্টনারশিপের সমস্যায় বা দাম্পত্যজীবনে উপকারে আসবে৷ কারণ মাঝে মাঝে অন্যকিছু করা বা খনিকটা সময় একে অপরের কাছ থেকে আলাদা থাকলে প্রিয়তম বা প্রিয়াকে কাছে পাওয়ার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেয়৷

দাম্পত্যজীবনে প্রায়ই ছোটখাটো ঝগড়া হয়৷ অথবা পরিস্থিতির চাপে অনেকেই তাঁর পছন্দের মানুষটিকে কটুকথা বলে ফেলে বা তাঁর প্রতি খারাপ আচরণ করে ফেলে, যা আপনার সঙ্গীকে আহত করতে পারে৷ অথচ এই আচরণের পিছনে হয়ত আপনার ছোটবেলার কোনো ঘটনা জড়িত৷ সেক্ষেত্রে বিষয়টা নিয়ে দু’জনে আলোচনা করুন এবং এ রকম আচরণের কারণ খুঁজে বের করুন৷ দেখবেন আগামীতে অনেক বেশি সচেতন আচরণ করছেন৷

মেজাজ খারাপ হলে তার দোষ বা কারণ আমাদের মধ্যে অনেকেই অন্যের ওপর চাপিয়ে দিতে কম-বেশি পছন্দ করি৷ এমনটা না করে আপনার মেজাজ কেমন রাখবেন, তার দায়িত্ব আপনি নিজে নিন৷ সেজন্য খেলাধুলা, ব্যায়াম, নাটক, সিনেমা দেখতে অথবা গান শুনতে পারেন, একা বা কারো সাথে যা আপনাকে আনন্দ দেবে৷ আসলে নিজে খুশি থাকলে ঘরের পরিবেশ যেমন ভালো থাকে, তেমনি তা অন্যের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে৷

একজন অন্যজনকে দোষ না দিয়ে দৈনন্দিন জীবনে খানিকটা পরিবর্তন আনুন৷ অর্থাৎ ঘরের পরিবেশকে বন্ধুত্বপূর্ণ করুন৷ ঘরকে একটু অন্যভাবে সাজান, ফুল রাখুন, কাছের বন্ধুদের ডেকে আড্ডা দিন বা গান শুনুন৷ নিজে সুন্দর জামা-কাপড় পরে ফিটফাট থাকুন৷ সোজা কথা – বাড়ির দৈনন্দিন পরিবেশকে জীবন্ত করে তুলতে পারলে, সেটাই হতে পারে ভালোবাসার মন্ত্র, সংসারে শান্তির চাবিকাঠি৷

অনেক সময় রাগের মাথায় বহু দম্পতিকেই একে অপরের ভুল-ক্রুটি বা দোষ বড় করে তুলে ধরতে দেখা যায়৷ কিন্তু সুখি দাম্পত্যজীবনের জন্য সেটা না করে বরং ভালো সময়ে বা সময় বুঝে ঠান্ডা মাথায় আপনার সঙ্গিটিকে বলুন, তাঁর কোন আচরণগুলো আপনাকে কষ্ট দেয়৷ দেখবেন একটু সতর্ক হয়ে চেষ্টা করলেই আস্তে আস্তে এ রকম আচরণ কমে যাবে৷

স্বামী-স্ত্রী বা ভালোবাসার সম্পর্ক – যে কোনো সম্পর্কেই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যায়৷ তাই একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা আরো জরুরি৷ কোনো ব্যাপরে দ্বিমত থাকতেই পারে, সেক্ষেত্রে একে অপরকে কষ্ট না দিয়ে বা ছোট না করে আপনার কথা খুলে বলুন৷ কারণ ভালোবাসার মানুষকে অপমান বা কষ্ট দিলে সম্পর্কে আস্তে আস্তে চিড় ধরতে শুরু করে৷

ভালোলাগা থেকেই তো ‘ভালোবাসার’ জন্ম৷ আর ভালো ও সুস্থ থাকতে চাইলে চাই ভালোবাসা ও তার যত্ন৷ ভুল বোঝাবুঝি বা অতি আবেগী না হয়ে বাস্তববাদী হলে ‘ভালোবাসা’ সহজেই জায়গা পাবে৷ দু’জনের মধ্যে সম্পর্কও হবে মধুময়৷ এ সব পরামর্শগুলো দিয়েছেন জার্মানির ‘পার্টনার থেরাপিস্ট’বা দাম্পত্যসম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ডা. ভল্ফগাং ক্র্যুগার

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে