,

গুলশান হামলা: মাস্টারমাইন্ড রাজীব গান্ধীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

news-image

নিউজ ডেস্ক : গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম ‘মাস্টারমাইন্ড’ জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গুলশান হামলায় জড়িত কোনো জঙ্গির এটাই প্রথম স্বীকারোক্তি। মামলার তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালত সূত্র জানায়, ৭ দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার জাহাঙ্গীর ওরফে রাজীব গান্ধী ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবীবের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সোমবার সন্ধ্যার পর আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, জাহাঙ্গীর ওরফে রাজীব গান্ধী গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী। হামলার পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি জবানবন্দিতে হামলার দায় স্বীকার করেছেন।

১৩ জানুয়ারি টাঙ্গাইল থেকে রাজীব গান্ধীকে গ্রেফতার করে সিটিটিসি। পরদিন আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হলে তিনি হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে গুলশান হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত নিউ জেএমবির সমন্বয়ক তামিম আহমেদ চৌধুরী, গুলশান হামলার অপারেশনাল কমান্ডার নুরুল ইসলাম মারজান, হামলাকারীদের আশ্রয়দাতা তানভির কাদেরি ওরফে আবদুল করিম, জঙ্গি প্রশিক্ষক মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম বিভিন্ন অভিযানে মারা যায়। তারা সবাই গুলশান হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। এখন পর্যন্ত হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত জাহাঙ্গীর ওরফে রাজীব গান্ধীকেই জীবিত গ্রেফতার করা গেছে।

সিটিটিসি সূত্র জানিয়েছে, ভাটারার একটি বাসা গুলশান হামলার অপারেশনাল হাউস হিসেবে ব্যহার করা হয়। তিনি ওই বাসায় তানভির কাদেরির সঙ্গে পরিবার নিয়ে থাকতেন। পরে তিনি মিরপুরে অন্য একটি জঙ্গি আস্তানায় চলে যান।

জবানবন্দিতে তিনি কয়েকজন শীর্ষ জঙ্গির নাম, প্রশিক্ষণের স্থান, অস্ত্র ও অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি গুলশান হামলা ছাড়াও উত্তরাঞ্চলে নিউ জেএবির টার্গেট কিলিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন। উত্তরাঞ্চলে সক্রিয় অনেক জঙ্গি প্রশিক্ষকের বিষয়েও তিনি তথ্য দিয়েছেন।

গত বছরের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় ২০ জন দেশী-বিদেশী নাগরিক নিহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ অভিযান চালাতে গেলে জঙ্গিরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এ সময় দু’জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। পরদিন সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানে হামলাকারী পাঁচ জঙ্গিসহ ৬ জন নিহত হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা