,

‘হ্যাঁ, গুলি করার সময় নিহত সিমি সদস্যরা নিরস্ত্র ছিলো, তো কি হয়েছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :ভারতের ভোপালে বিতর্কিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৮ মুসলিম ছাত্রনেতাদের গুলিকরার সময় তারা নিরস্ত্র ছিলো বলে জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের অ্যান্টি-টেরর স্কোয়াডের প্রধান সঞ্জিব শামি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এ কথা বলেন তিনি।

4f0482693df9a24eddec6418b644d49c-581a83605b819

রবিবার (৩০ অক্টোবর) গভীর রাতে ভোপালের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সেন্ট্রাল জেল ভেঙে ভারতে নিষিদ্ধঘোষিত স্টুডেন্টস ইসলামিক ম্যুভমেন্ট অব ইন্ডিয়ার (সিমি) আট সদস্য কারারক্ষীকে হত্যা করে পালিয়েছে বলে তাদের ছবি ও নাম প্রকাশ করে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ। পালানোর প্রায় ১০ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে। ভোপালের সিনিয়র পুলিশ অফিসার যোগেশ চৌধুরী বলেন, সোমবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ভোপাল সেন্ট্রাল জেল থেকে ১০ কিলোমিটার দুরে ওই আট পলাতক বন্দিকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা করা হয়। এর পরই বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক শুরু হয়। চলমান বিতর্কের মাঝেই মধ্যপ্রদেশের অ্যান্টি-টেরর স্কোয়াডের প্রধান সিমি সদস্যরা নিরস্ত্র বলে স্বীকার করলেন।

সিমি সদস্যরা নিরস্ত্র ছিলো স্বীকার করলেও সঞ্জিব শামি বলেন, ‘আইনে সুনির্ধারিতভাবে উল্লেখ করা আছে কখন পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে এবং কখন হত্যা করতে পারবে। নিহতরা ছিলো ভয়ংকর সন্ত্রাসী। পুলিশ যদি দেখে তাদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তাহলে তারা সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করতে পারে।’
এর আগে সোমবারও শামি একই দাবি করেছিলেন যে, সিমি সদস্যরা নিরস্ত্র ছিলো। তবে তার এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আসছেন পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তারা। নিজের এ অবস্থানে অনড় আছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বন্দুকযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া বাহিনীর প্রধান শামি আরও বলেন, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়া না হলেও শক্তি প্রয়োগ করা যায়।

ভারতের শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠন মধ্যপ্রদেশের সরকারের কাছে ‘ঠাণ্ডা মাথায়’ ৮ সিমি সদস্যকে হত্যার ব্যাখ্যা চেয়েছে। এ দাবি আরও প্রতিষ্ঠিত হয় যখন সিমি সদস্যদের গুলি করার কয়েকটি ভিডিওতে তাদের নিরস্ত্র দেখা যায়।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীভুপেন্দ্র সিংহ বলেন, বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করার কিছু নেই। তিনি জানিয়েছেন, বিতর্কিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাটি তদন্ত করবে না এনআইএ।

১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাত্র সংগঠন এসআইএমআই বা সিমি। এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে নাশকতায় মদদ দেওয়ার অভিযোগ এনে ২০০১ সালে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারতের তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকার। তবে এখনও পর্যন্ত ওই সংগঠনটির কোনও সহিংস কর্মকণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা