,

মঙ্গলবারেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে অনেকেরই আগ্রহের শেষ নেই। কারণ এ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না কেন তার দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মকাণ্ডের প্রভাব পড়ে গোটা দুনিয়ায়। চার বছর অন্তর নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবারে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রতিবার মঙ্গলবারেই কেন এ নির্বাচন তা জানেন কি?

election1477311384
যে দিনই নির্বাচন হোক তাতে যেন ডিসেম্বরের প্রথম বুধবারের আগে ৩৪ দিনের ব্যবধান থাকে এমন একটি বিধান রেখে ১৭৯২ সালে আইন পাশ হয়। ডিসেম্বরের ওই দিনটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচকরা মিলিত হতেন। ওই সময় তাদেরকে বলা হতো নির্বাচনী প্রতিনিধি।

মূলত কৃষিকাজের সুবিধার কথাটি বিবেচনায় রেখে নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহটা নির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। কারণ ওই সময় ফসল কাটা হয়ে যায় এবং কৃষকের হাতে অফুরন্ত সময় থাকে। আর ভোটকেন্দ্রগুলো দূরে হওয়ায় সময়েরও একটি ব্যাপার ছিল।

যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে ওই সময় অঙ্গরাজ্যগুলোতে পৃথকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো। পরবর্তীতে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন হয়। ট্রেন ও টেলিগ্রাম ব্যবস্থার ফলে এক রাজ্যের নির্বাচনের ফল জানতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হতো না। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো এক রাজ্যের ফলাফল আরেক রাজ্যে নির্বাচনী ফলে প্রভাব বিস্তার করে। এ কারণে একই তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের সবকটি অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়।

১৮৪৫ সালে সব অঙ্গরাজ্যে একসঙ্গে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য মার্কিন কংগ্রেস একটি একক দিন বেছে নেয়। আর নির্ধারিত এ দিনটি ছিল নভেম্বরের প্রথম সোমবারের পর প্রথম মঙ্গলবার। এতে আইনে থাকা ডিসেম্বরের প্রথম বুধবারের আগে ৩৪ দিনের ব্যবধানটি রক্ষিত হয়। তবে মঙ্গলবারই কেন? এর ব্যাখ্যায় বলা হয়, শনিবার ছিল কৃষকের মাঠে কাজের দিন। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কৃষকদের রোববার গির্জায় যাওয়ার কারণে দূরে যাওয়া হতো না। আর বুধবার ছিল বাজারের দিন। মাঝখানে বাকি ছিল মঙ্গলবার। তাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের জন্য মঙ্গলবারকেই বেছে নেয়া হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা