,

‘৮ মাসে ৪৬ কিলোমিটার অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে’

nasrulনিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি আরো জানান, গত পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকায় পরিচালিত ৩৭টি অভিযানের মাধ্যমে ৪৬ কিলোমিটার অবৈধ বিতরণ লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

আওয়ামী লীগের সদস্য কামরুল আশরাফ খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানিগুলো গঠিত ভিজিল্যান্স টিম নিয়মিত অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন করে আসছে। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির অধিভুক্ত এলাকায় গত আগস্ট মাসের অভিযানে ৯টি অবৈধ লাইন উচ্ছেদ ও ২টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এছাড়া কর্ণফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির অধিভুক্ত এলাকায় গত আগস্ট মাসে পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে দুটি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

সরকারী দলের গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, দেশে এ পর্যন্ত আবিস্কৃত ৫টি কয়লা ক্ষেত্রের সম্ভাব্য কয়লা মজুদের পরিমাণ ৩ হাজার ৫৬৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এ কয়লার মান পৃথিবীর অনেক দেশের কয়লার চেয়ে উন্নত হলেও তা সহজেই উত্তোলনযোগ্য নয়। ভূ-পৃষ্ঠ হতে কয়লা স্তরের গভীরতা, জিওলজিক্যাল ও হাইড্রোলজিক্যাল কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কয়লা উত্তোলন বেশ জটিল। এছাড়া ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় পুনর্বাসনও একটি বড় সমস্যা। বর্তমানে শুধুমাত্র বড়পুকুরিয়া কয়লা হতে আন্ডারগ্রাউন্ড পদ্ধতিতে বছরের প্রায় এক মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। এছাড়া দীঘিপাড়া কয়লা খনি উন্নয়নের জন্য সমীক্ষা চলছে। কয়লার উৎপাদন বৃদ্ধি করে তা হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে গ্যাসের চাহিদা দৈনিক ৩ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটের অধিক। যার বিপরীতে দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছে। আর দেশে কয়লার চাহিদা প্রায় ৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন। যার বিপরীতে বার্ষিক দেশজ কয়লার সরবরাহ প্রায় এক মিলিয়ন মেট্রিক টন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য বেগম লায়লা আরজুমান বানুর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্যাসের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় নতুন পাইপ লাইন সম্প্রসারণ ও নতুন সংযোগের ওপর নিষেধাঞ্জা জারি করা হয়েছে। তাই আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালুর কোন পরিকল্পণা সরকারের নেই।

আওয়ামী লীগের দিদারুল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ জানান, সরকার যুগোপযোগী বাস্তব সম্মত টেকসই পরিকল্পণা প্রণয়নপূর্বক জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য গ্যাস ও এলএনজি ভিত্তিক বড় ও কয়লা ও পারমাণবিক শক্তি নির্ভর বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর আওতায় ২০২১ সাল নাগাদ সবার জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে উৎপাদন ক্ষমতা ২৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার কাজ চলছে। বর্তমানে দেশে ১৪ হাজার ৯৮০ মেগাওয়াট (ক্যাপটিভসহ) বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

আওয়ামী লীগের পিনু খান লিখিত প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হলে সুন্দরবন অঞ্চলের কোন ক্ষতি হবে না। কারণ রামপালে যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে তা হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন। এখানে পরিবেশে যাতে কোন ক্ষতি সাধন না হয় সে জন্য প্রকল্পটিতে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি, উন্নত মানের কয়লা, ফ্লু-গ্যাস ডি সালফারাইজেসনের ব্যবস্থাসহ নানাবিধ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও মালামাল ব্যবহার করা হবে। সেজন্য এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশের কোন ক্ষতি করবে না।

এ জাতীয় আরও খবর

‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে দাঁড়ানো বড় শিক্ষা:অধরা খান

হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিকে ২৪০ রানে অলআউট আফগানিস্তান

চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে দুর্নীতিচক্র: সাইফুল হক

জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৬২

এমপি নজরুলের জামিন আবেদন ফের নাকচ

রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি, আয়াসসহ চারজন রিমান্ডে

দিল্লিতে ফের আটক শিক্ষার্থী নেত্রী নেহা বোরা

সমাজসেবায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন

ত্রিশালে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে সমীক্ষা

জনগণের অর্থ ব্যয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর