,

১৫ আগস্ট জন্মদিনের অনুষ্ঠান করবেন না খালেদা

Khaleda_zia1438727423এ বছর ১৫ আগস্ট নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠান করছেন না বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দেশের ‘চলমান সংকট, বন্যা পরিস্থিতি ও নেতাকর্মীদের জেল-গুম-খুনের’ কারণে খালেদা জিয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জানানো হয়েছে।
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান আজ রোববার বিকেলে প্রথম আলোকে এই তথ্য জানান। এর আগে বিকেল পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হচ্ছিল না।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সেই ১৫ আগস্টে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক আছে। তবে এবার এই দিনে কোনো অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিএনপির নেতাদের অনেকেও।
খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ১৯৯৩ সালের ১৫ আগস্ট জন্মদিন উদ্‌যাপন শুরু করেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের গঠনের পর ১৯৯৩ সাল থেকে তবে তা ছিল ঘরোয়াভাবে ও অনাড়ম্বরভাবে। বিএনপি ক্ষমতা হারিয়ে বিরোধী দলে যাওয়ার পর ১৯৯৬ সাল থেকে এ দিনটিতে কেক কেটে জন্মদিন উদ্‌যাপন শুরু হয়। ১৯৯৬ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো নেতা-কর্মীদের নিয়ে কেক কেটে জন্মদিন উদ্‌যাপন করা শুরু করেন। সে সময়ের একজন যুবদল নেতা ও কয়েকজন বুদ্ধিজীবীর পরামর্শে এ আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় বলে বিএনপির কয়েকজন নেতা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।
সেই থেকে প্রতিবছর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা নেওয়া কেক ১৫ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে কাটেন খালেদা জিয়া। এবার বিএনপির পক্ষ থেকে কয়েকটি সংগঠনকে কেক বা ফুল নিয়ে না যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, দেশের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি এবং বিএনপির নেতা-কর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, এসব বিবেচনা করে এবার তাঁদের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে কেক বা ফুল নিয়ে না যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য গত বছর প্রথম ক্ষণে কেক না কাটলেও ১৫ আগস্ট রাত নয়টার দিকে একাধিক কেক কেটেছিলেন খালেদা জিয়া। গুলশানে তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয়েও এই উপলক্ষে বিশেষ আলোকসজ্জা করা হয়েছিল।
১৯৯১ সালের ২০ মার্চ খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সরকারিভাবে গণমাধ্যমে তাঁর যে জীবনবৃত্তান্ত পাঠানো হয়েছিল, তা ২১ মার্চ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়। তাতে বলা হয়েছিল, খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোন করেছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে। এই টেলিফোন সংলাপের একপর্যায়ে শেখ হাসিনা ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা