,

গেটের আড়ালে নিরাপত্তা: কতটা নিরাপদ ঢাকা ?

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা আর অলিগলির প্রবেশ মুখে অস্থায়ী গেইট নির্মাণের হিড়িক পড়েছে।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা গুলোর পর স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে তৈরি করছেন এসব গেইট বা ফটক।
ধানমন্ডি, গুলশান, বারিধারা মতো এলাকা ছাড়াও মিরপুর, আদাবর, মোহাম্মদপুর সহ নানা এলাকার প্রবেশপথ গুলোতে এখন চোখে পড়ে এসব গেট।

160805154704_dhaka_security_gate_640x360_bbc_nocredit
ধানমন্ডিসহ কয়েকটি এলাকায় আবার রীতিমত নোটিশ দিয়ে রাত এগারটায় বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে অধিকাংশ প্রবেশপথ গুলো।
এতে করে সাবলীল চলাচলে বাধা পড়লেও নিরাপত্তা ইস্যুতে মেনে নিচ্ছেন অধিবাসীরা।
ধানমন্ডি এলাকার বাসিন্দা সরদার কামাল জানান পুলিশের উদ্যোগের সমর্থনে স্থানীয় বাসিন্দারাই নিজস্ব খরচেই এসব গেট স্থাপন করেছে।
ওই এলাকায় অনেকেই জানান এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তারা সন্তুষ্ট।
মি.কামাল বলছিলেন, “ আমরা আগে থেকেই নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন ছিলাম। এখন এটা আরও ভালোভাবে করার জন্য প্রশাসন থেকে আমাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে”।
নিরাপত্তা বিষয়ে স্থানীয় বাড়ি বা এপার্টমেন্টের মালিকরা এখন অনেক সচেতন।
ঢাকার কয়েকটি থানার পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন যেসব এলাকায় অনেকগুলো প্রবেশপথ সেখানে রাত এগারটার পর অধিকাংশ প্রবেশপথ বন্ধ করে নির্দিষ্ট কয়েকটি খোলা রাখা হয়।
এর উদ্দেশ্য হচ্ছে রাতে ফাঁকা রাস্তার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা যাতে দ্রুত সটকে না পড়তে পারে।
বিভিন্ন এলাকায় এমনও দেখা যাচ্ছে রাত এগারটার পর সহজে এক রাস্তা থেকে অন্য রাস্তা যাওয়ায় যাচ্ছেনা।
ঢাকার আদাবর এলাকার একজন বাসিন্দা জানালেন খানিকটা অসুবিধা হলেও নিরাপত্তা স্বার্থে তারা এসব উদ্যোগকে মেনে নিয়েছেন।
ধানমন্ডির মোহাম্মদ শহীদ বলেন, “নিরাপত্তার জন্য আমি ছাড় দেবো। কিন্তু যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে তারা কি আসলেই নিরাপত্তার জন্য এগুলো করছে নাকি লোক দেখানো। এটা হচ্ছে আসল কথা “?

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা