,

‘মা যেখানে যেতে বারণ করত, সেখানেই বেশি করে যেতাম’

photo-1467965415বিনোদন ডেস্ক : ‘দেখতে দেখতে বারো বছর পার হয়ে গেল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। এতটা পথ যে পার হয়ে আসতে পারব তা ভাবিনি। সম্পূর্ণ একা পথচলা শুরু করেছিলাম। নিঃসন্দেহে কঠিন জার্নি ছিল। প্রথম দিকে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানতাম না, কাউকে চিনতাম না। সেখানে দাঁড়িয়ে আজ পেছন ফিরে তাকালে ওই কষ্টটা সার্থক মনে হয়’—নিজের জীবনের কথা এভাবেই স্মরণ করেন টলিউডের অন্যতম আলোচিত-সমালোচিত নায়িকা পাওলি দাম।

পাওলি বললেন, ‘একা পথচলা শুরু করেছিলাম। তারপর এতগুলো বছর পার করে আজ এখানে আসতে পেরেছি। জীবনে অনেক ভালো ভালো পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগও পেয়েছি। জীবনে চলার পথে প্রচুর উত্থান-পতনও দেখেছি। কিন্তু আমি সব সময় পজিটিভটা গ্রহণ করেছি।’

টলিউডের অন্যতম বিতর্কিত ছবি ‘ছত্রাক’ করার পর ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় একা হয়ে গিয়েছিলেন পাওলি দাম। সে কথা নিজের মুখেই স্বীকার করে নিলেন। জানালেন, ‘ওই ছবিতে (ছত্রাক) ছবিতে অভিনয় করার পর একা হয়ে পড়েছিলাম ইন্ডাস্ট্রিতে। ভাবিনি সেখান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব। সত্যি কথা বলতে, এই ছবির পর আমার হারানোর আর কিছুই ছিল না। খুব কাছের মানুষকেও সবটা বলতে পারিনি। শুধু মনে মনে চেয়েছিলাম, ভালো কাজ করে যেতে। আমার বিশ্বাস ছিল, আমার জেদ আর বিশ্বাস ঠিক পথে থাকলে আমি ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

এখন কি সেই ছবিতে কাজ করা নিয়ে আর অনুতাপ হয়? এর জবাবে পাওলি জানালেন, পুরোনো বিষয় নিয়ে আটকে থাকেননি তিনি। ‘এটায় (ছত্রাক) অভিনয় করা নিয়ে আজ আর আমার মধ্যে কোনো অনুতাপ নেই। জীবনের কঠিন সময়টা আমাকে অনেক আত্মবিশ্বাসী করেছে, অনেক শক্ত করেছে। ছোটবেলায় মা যেখানে যেতে বারণ করত, সেখানেই বেশি করে যেতাম। অজানাকে জেনে আসার আগ্রহ আমার বরাবরই।’

ইন্ডাস্ট্রিতে কোনোরকম দলাদলিতে বিশ্বাসী নন পাওলি। বললেন, ‘শেষ অবধি আমার কাজটাই মানুষ মনে রাখবে। তাই নিজের কাজের প্রতিই বিশ্বাসী আমি। কখনও কিছু নিয়ে পিএনপিসি (পরনিন্দা-পরচর্চা) কিংবা গসিপ করি না। অবশ্য সেসব শুনতে মন্দ লাগে না। কাজ আর বাড়ি, এটাই আমার জীবন। আগেও যা ছিল, এখনো তাই আছে।’

ইন্ডাস্ট্রিতে আর্টিস্ট কম্পিটিশনে খুব একটা বিশ্বাসী নন পাওলি। তাঁর মতে, প্রত্যেকেই যে যার মতো করে যে যার জায়গায় ভালো। আগামী দিনে বিয়ের পরিকল্পনা আছে কি না তা নিয়ে বলতে গিয়ে জানালেন, ‘এখনই অন্তত বিয়ে নয়, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পরের বছর বিয়ে করছি।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা